ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, শনিবার ইসরায়েলি দুই কারাগার থেকে ২০০ ফিলিস্তিনি বন্দী মুক্তি পেয়েছেন। এর আগে হামাস চার ইসরায়েলি নারী সেনাকে মুক্তি দেয়। আজকের মুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি চুক্তি আরও এক ধাপ এগোল, যেখানে ধাপে ধাপে মুক্তি পাচ্ছেন বন্দীরা।
এদিন, ইসরায়েলের পশ্চিম তীরের অফার কারাগার এবং নেগেভ মরুভূমির কাজিয়ত কারাগার থেকে ২০০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্ত হওয়া বন্দীদের মধ্যে নারী ও পুরুষের বিভিন্ন বয়সী সদস্য রয়েছে।
গাজার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় কাতার, মিসর এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায়, যার ফলশ্রুতিতে ১৫ মাসের মারাত্মক সংঘর্ষ আপাতত থামলো। যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় মুক্তি পাওয়া বন্দীরা ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পায়, এবং এর পরবর্তী ধাপে হামাস আরও বন্দী ছাড়বে।
এটি দ্বিতীয় দফার মুক্তি, যেটি পূর্বে হামাসের হাতে ৩ জন ইসরায়েলি জিম্মি মুক্তি পাওয়ার পর হলো। প্রথম দফায় ইসরায়েলি কারাগার থেকে ৯০ জন ফিলিস্তিনি বন্দী মুক্তি পান।
এদিকে, গত বছর ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামলা চালায়, যাতে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। এরপরই ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় নৃশংস হামলা শুরু করে। এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা এ যুদ্ধের ফলে গাজায় ৪৭ হাজার ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক মানুষ।
এখন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবং বন্দী মুক্তির মধ্য দিয়ে আশার আলো দেখা যাচ্ছে, তবে ভবিষ্যতে কী ঘটবে, তা সময়ই বলে দেবে।