মুন্সীগঞ্জে একই দিনে আলাদা পৃথক তিনটি স্থান থেকে এক শিশু সহ তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে সিরাজদিখান উপজেলার তেঘুরিয়া এলাকায় ইছামতী নদী থেকে নিখোঁজের একদিন পরে,এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে বন্ধুদের সাথে ইছামতী নদীতে নৌকা বাইচ দেখতে গিয়ে ট্রলারে উঠার সময় নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয় শিশুটিএরপর,খবর পেয়ে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে,পরে দুই দফায় উদ্ধার কাজ শেষে নিখোঁজের প্রায় ২০ ঘন্টা পর ঘটনাস্থলের থেকে কিছুটা দূরে নিহত সুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত রিফাত সুজন (১৩) সিরাজদিখান উপজেলার রাজানগর গ্রামের মোহাম্মদ কাজল মিয়ার ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বিষয়টি নিশ্চিত করে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান,শুক্রবার ভোর থেকে ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরে দুদফা চেষ্টায় বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।এদিকে দুপুর দেড়টার দিকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায়, চর বলাকী এলাকায়,মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশের সদস্যরা।এরপর একইদিন বেলা তিনটার দিকে,মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ ঘাট সংলগ্ন,শাহ্ সিমেন্ট কারখানা পেছনে ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যা নদীর মোহনা থেকে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত আরও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে মুক্তারপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।
আলাদা ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারের পরে এসব মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে। এছাড়া আজ্ঞত দুই মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করতে ও ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে,আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন নৌ-পুলিশ।