প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ৩০, ২০২৫, ১০:৪১ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২৫, ৪:০৪ পি.এম
খুলনার দিঘলিয়ায় রমজানে বাজার মনিটরিং এ প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা
রমজানকে সামনে রেখে নিত্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে বিপাকে ক্রেতারা।
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় রমজানকে সামনে রেখে অধিক মুনাফার আশায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সক্রিয় নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করে বিক্রি করছে। বোতলজাত সয়াবিন তেল নিয়ে চলছে কারসাজি। ভোজ্য পন্যের মোড়কে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করছে দোকানিরা। উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় বাজার মনিটরিং এর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
বাজার মনিটরিং এ প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ক্রেতারা।
বাজার মনিটরিং এ এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
গত দু' সপ্তাহের ব্যবধানে বোতলজাত সয়াবিন তেল নিয়ে চলছে কারসাজি ।
দোকানে পন্য মজুদ থাকলেও অধিক মুনাফার আশায় বিক্রি করছে না দোকানিরা।
কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বোতলজাত সয়াবিন তেল রাতের আঁধারে বোতলের মুখ কেটে ড্রামে ঢেলে খোলা সয়াবিন
হিসাবে অধিক মূল্যে বিক্রি করছে এমন অভিযোগ ক্রেতাদের। নিয়মিত বাজার মনিটরিং না থাকাকে দায়ী ভোক্তাদের।
গত কয়েকদিন দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। রমজানকে সামনে রেখে খুচরা বিক্রেতারা পন্যের মূল্য পাইকারি বাজারে ছোলা- ৯০ থেকে ৯৫ টাকা, চিড়া- ৫০ থেকে ৫৫ টাকা , চিনি- ৯৫ থেকে ১০৫ টাকা , মুশুড় ডাল - ৯০ টাকা মুগডাল - ১২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। উপজেলার খুচরা বিক্রেতারা ছোলা - ১১০ টাকা, চিড়া- ৬৫ থেকে ৭০ টাকা , চিনি- ১২০ টাকা, মুশুড় ডাল - ১১০ টাকা , মুগডাল - ১৫০ থেকে ১৭৫ টাকা , খোলা সয়াবিন- ১৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে অনেক বেশি মূল্য বিক্রি হচ্ছে।
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সাধারন মানুষের দাবী , নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং প্রয়োজন। না হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা সয়াবিন তেলের মতো রমজানে ক্রেতাদের জিম্মি করে অধিক মুনাফা অর্জন করতে পারে।
বাজারে আশা ক্রেতা মোঃ সেলিম মোড়ল বলেন, প্রতিটি বাজারে কমিটি রয়েছে তাদের মাধ্যমে সকল দোকানিদের রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি না করার আহ্বান জানিয়ে বার্তা দেওয়া যায়।
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলা নিবার্হী অফিসার আরিফুল ইসলাম বলেন, মাসিক সভায় বাজার মনিটরিং এর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দু' এক দিনের মধ্যে উপজেলার সকল বাজার কমিটিকে ডেকে সতর্ক বার্তা দেওয়া হবে। এবং রমজানে ক্রেতারা যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে জন্য প্রতিটি দোকানে মূল্য তালিকা বাধ্যতামূলক ভাবে টানিয়ে রাখতে হবে এবং নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হবে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত