রাজধানীসহ দেশের আট বিভাগে আবারও ঝড়-বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে বলে সতর্কবার্তা জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণের পাশাপাশি বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে, যা জনজীবনে ভোগান্তি তৈরি করতে পারে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানান, এই সময়ের মধ্যে দেশের অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়া, কালবৈশাখী ঝড় এবং বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিশেষ করে খোলা জায়গা, নদীপথ ও উপকূলীয় অঞ্চলে ঝুঁকি বেশি থাকবে। তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
এদিকে দেশের সব নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে মাছধরার ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে করে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আগামী ৪ থেকে ৫ দিন দেশে এই বৃষ্টি, বজ্রপাত ও কালবৈশাখী ঝড়ের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আগামী ৫ মে থেকে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে। তখন বৃষ্টিপাত কমে গিয়ে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে নাগরিকদের অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়া, বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ বা উঁচু স্থানে অবস্থান না করা এবং নৌযান চলাচলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়োপযোগী সতর্কতা মেনে চললে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।