ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত জমি ও ভবনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ও ব্যবসায়ীরা। শনিবার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার মোটর মালিক সমিতির কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এসময় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দৈনিক নবচিত্র পত্রিকার প্রধান সম্পাদক আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ২০২০ সালে প্রকল্প পাশ হওয়ার পর ২০২২ সালে জমি ও ভবন অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়। বর্তমানে এক শতক জমির বাজারমূল্য যেখানে ৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা, সেখানে জেলা প্রশাসন অধিগ্রহণমূল্য নির্ধারণ করেছে মাত্র ১৮০০ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। এমনকি অনেক বাণিজ্যিক জমিকে ভুলভাবে ‘ডোবা শ্রেণি’ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নোটিশ দিলেও জেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে কোনো আলোচনা করেনি। এর ফলে কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার থেকে ফুলবাড়ি পর্যন্ত ১৯ মৌজার শত শত জমির মালিক পথে বসার উপক্রম হয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে জমি মালিকরা অধিগ্রহণের ৮ ধারা প্রত্যাহার, পুনরায় সার্ভে করে জমি ও ভবনের বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের জোর দাবি জানান।
তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ন্যায্য দাবি পূরণ না হলে আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।