প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ২১, ২০২৬, ৫:২৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ২১, ২০২৬, ২:০৭ পি.এম
পিরোজপুরে জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও দোয়া মাহফিল
স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী এবং ১৯৮১ সালের ২১ মে তার পিরোজপুর আগমন দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে পিরোজপুর জেলা পরিষদের আয়োজনে জেলা পরিষদ চত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশের উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। তার আদর্শ, দেশপ্রেম ও নেতৃত্ব নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর দিদা খালেদ রবির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম বাতেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ রব্বানী ফিরোজ, জেলা জিপি অ্যাডভোকেট সাব্বির আহমেদ, পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আকন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান এবং সদস্য সচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমতসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান শুধু একজন রাষ্ট্রনায়কই ছিলেন না, তিনি ছিলেন স্বাধীনতা ও জাতীয়তাবাদের প্রতীক। দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তারা আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একইসঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় শহীদ জিয়ার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান বক্তারা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করেন এবং তার অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল আবেগঘন পরিবেশ।
অনুষ্ঠান শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনাও করা হয়।