1. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় তুরস্কের সহযোগিতায় ড্রোন উৎপাদন কারখানা, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও বিমানঘাঁটি নির্মাণের উদ্যোগ মুন্সীগঞ্জে অতি বৃষ্টিতে অ্যাম্বুলেন্সের ওপর গাছ ভেঙে পড়ল লিবিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ, কারণ জানালো বিদ্যুৎ বিভাগ জিয়ানগরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন, র‍্যালি-আলোচনা সভার পর ঋণ, গাছের চারা ও সার বিতরণ দিঘলিয়ায় প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন, ইউএনওকে স্মারকলিপি দিল সচেতন নাগরিক সমাজ কাহারোলে ১ম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন, র‍্যালি ও আলোচনা সভায় গ্রামীণ উন্নয়নের অঙ্গীকার খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠান ঘিরে ১,৫০০–৩,০০০ প্রাণহানির আশঙ্কা মুন্সীগঞ্জে বসতবাড়িতে অগ্নিকাণ্ড, ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে বড় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গেল ঝিনাইদহে খুলনা বিভাগীয় কীটনাশক ব্যবসায়ী সম্মেলন, সুষম কীটনাশক ব্যবহারে গুরুত্বারোপ

৬ মাস পর পুলিশের গুলিতে নিহত হাসানের দাফন সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
হাসানের দাফন সম্পন্ন

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার দিন ৫ আগস্ট বিকেলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মো. হাসান। দীর্ঘ ৬ মাস পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তার লাশ শনাক্ত করে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের শাহামাদার গ্রামে হাসানকে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত করা হয়। এর আগে, শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা কফিন মিছিল করেন। শনিবার সকাল ১০:৩০ মিনিটে কাচিয়া শাহামাদার মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

দীর্ঘ ৬ মাস পর হাসানের লাশ শনাক্ত করতে পারেন তার পরিবার। ঢামেক কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে হাসানের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। হাসানের বাবা মনির হোসেন জানান, লাশ খুঁজে না পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে যোগাযোগ করেন তারা, যেখানে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্তকরণের পর শুক্রবার দুপুরে লাশ বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

হাসানের বড় বোন শাহনাজ বেগম বলেন, “আমার ভাই কী দোষ করেছিল, তাকে প্রাণে মেরে ফেলতে হলো? আমরা ভাইয়ের হত্যার সঠিক বিচার চাই এবং দোষীদের ফাঁসি চাই।”

হাসানের মা গোলেনুর বেগম একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েছেন। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। হাসান সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। স্থানীয়রা বলেন, তিনি ভালো ছেলে ছিলেন, পরিবারের সচ্ছলতার জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন, কিন্তু সেখানেই চিরতরে হারিয়ে গেলেন। তারা বর্তমান সরকারের কাছে এই পরিবারের জন্য আর্থিক সহযোগিতার দাবি জানান।

ভোলার সমন্বয়ক মো. রাহিম জানান, দীর্ঘ ৬ মাস পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সহযোদ্ধাকে ফিরে পাওয়া গেছে। জাতীয় শহীদের তালিকায় হাসানের নাম অন্তর্ভুক্ত করে শহীদ পরিবারের সব সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দাবি জানানো হচ্ছে, নিখোঁজদের মরদেহ হলেও পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট