1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে উৎকোচ ছাড়া নড়ে না ফাইল!

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে ঘুষ ছাড়া কোনো ফাইল নাড়াচাড়া হয় না—এমন অভিযোগ তুলেছেন উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা। অভিযোগ উঠেছে, শিক্ষা কর্মকর্তার সরাসরি নির্দেশে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিয়মিতভাবে উৎকোচ গ্রহণ করে আসছেন।

স্থানীয় শিক্ষকরা জানান, ইএফটি, এমপিও সংশোধনী, টাইম স্কেল, আপার স্কেলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজের ফাইলগুলো অনলাইনের মাধ্যমে পাঠানোর কথা থাকলেও তা ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা হয় যদি না উৎকোচ প্রদান করা হয়।

নতুন বাজার সম্মিলিত নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কৃষি শিক্ষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান অভিযোগ করেন, “আমি এমপিও আবেদন করলে তা ফরওয়ার্ডিং না করে বারবার হয়রানি করা হয়। অফিস সহায়ক মকসেদুল আলম ৫ হাজার টাকা ঘুষ চান। আমি মোট ৪ হাজার ৫০০ টাকা দিলেও এখনও পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, অফিসে গেলে বা ফোনে কথা বললে শুধু “ছাড়ছি”, “দিচ্ছি” বলে ঘুরানো হয়, কিন্তু কোনো কাজ হয় না। তারা হয়তো আরও টাকা চায়।

অভিযোগ উঠেছে, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীনেশ চন্দ্র পাল (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এবং অফিস সহায়ক মকসেদুল আলম মিলে শিক্ষক-কর্মচারীদের কাছ থেকে নিয়মিত ১,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ গ্রহণ করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও একাধিক শিক্ষক এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

মকসেদুল আলম নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, “শিক্ষকরা আমার নামে মিথ্যাচার করছে। ফাইল ছাড়ার দায়িত্ব স্যারের। আমি কেবল অফিস সহায়ক।”

শিক্ষা কর্মকর্তা দীনেশ চন্দ্র পাল বলেন, “আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে। আমি কোনো কাজের জন্য কারও কাছ থেকে টাকা নেইনি। পিয়ন তো কাজ করে না, তাহলে শিক্ষকরা তার কাছেই কেন টাকা দেয়?”

ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, “উৎকোচ গ্রহণ কিংবা হয়রানির কোনো সুযোগ নেই। কেউ বাড়তি টাকা চাইলে বা কাজ আটকে রাখলে শিক্ষকদের সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করতে বলছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট