1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন মিয়ানমারের সরকার প্রধান মিন অং হ্লাইং

আরটি বিডিনিউজ অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫
ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন মিয়ানমারের সরকার প্রধান মিন অং হ্লাইং

মিয়ানমারের সামরিক সরকার প্রধান মিন অং হ্লাইং আগামী সপ্তাহে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য BIMSTEC (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন) সম্মেলনে যোগ দেবেন। এটি হবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কোনো দেশে তার অন্যতম বিরল সফর।

এই সফরের অংশ হিসেবে মিয়ানমারের সামরিক সরকার কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে যাতে মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আয়োজন করা যায়। একইসঙ্গে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ অন্যান্য আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করার পরিকল্পনা রয়েছে তার সরকারের।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটানোর পর থেকে মিন অং হ্লাইং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছেন। তার নেতৃত্বে সামরিক বাহিনীর দমন-পীড়নের কারণে মিয়ানমারে ব্যাপক গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। পশ্চিমা দেশগুলো ইতোমধ্যে তার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এমনকি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ান (ASEAN)ও তার অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেছে, কারণ তিনি জোটের শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, BIMSTEC সম্মেলনে যোগদান এবং আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের প্রচেষ্টা মূলত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের একটি কৌশল। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিকভাবে তার সরকারকে বৈধতা দেওয়ার জন্য তিনি এমন কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

রয়টার্স জানায়, মিয়ানমারের সামরিক কর্মকর্তারা বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের অনুরোধ করেছেন। তবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

একটি ভারতীয় সরকারি সূত্র জানায়, মিয়ানমারের পক্ষ থেকে নয়া দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে মিন অং হ্লাইংয়ের বৈঠকের জন্য একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, তবে ভারত এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্ক ও BIMSTEC শাখাও বিষয়টি নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। ফলে এই বৈঠক আদৌ হবে কিনা, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে BIMSTEC-এর সকল সদস্য দেশ এই সম্মেলনে উপস্থিত থাকবে। তবে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে চলমান আন্তর্জাতিক সমালোচনা এবং নিষেধাজ্ঞার কারণে অন্যান্য দেশের নেতারা তার সঙ্গে বৈঠকে আগ্রহী হবেন কিনা, সেটি এখনো প্রশ্নসাপেক্ষ।

২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারে তীব্র রাজনৈতিক সংকট দেখা দেয়। জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, দেশটির জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের বেশি বর্তমানে মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং মানবাধিকার গোষ্ঠী মিন অং হ্লাইংকে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী করছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর সামরিক বাহিনীর নৃশংসতার কারণে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়ার পরিকল্পনা করছে।

এই পরিস্থিতিতে, তার আসন্ন থাইল্যান্ড সফর এবং বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের চেষ্টা কতটা সফল হবে, তা নিয়েই চলছে আলোচনা। বিশ্লেষকরা বলছেন, মিয়ানমার সরকার বৈঠকের জন্য অনুরোধ করলেও বাংলাদেশের অবস্থান নিরপেক্ষ থাকতে পারে এবং সরাসরি আলোচনায় যেতে দ্বিধাগ্রস্ত হতে পারে।

তবে BIMSTEC-এর মতো আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরামে মিয়ানমার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হওয়ায়, অন্যান্য দেশগুলো কীভাবে এই কূটনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দেবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট