1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

প্রতারণা মামলায় যশোরের সাবেক মেয়রের দেড় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

যশোর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫
যশোরের সাবেক মেয়র হায়দার গণি খান পলাশ

যশোরের সাবেক পৌর মেয়র এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গণি খান পলাশকে প্রতারণার মামলায় দেড় বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাঁকে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বুধবার (১৬ এপ্রিল ২০২৫), সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গোলাম কিবরিয়া এই রায় ঘোষণা করেন। মামলার রায়ে জানানো হয়, আসামির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত হায়দার গণি খান পলাশ যশোর শহরের ঘোপ পিলুখান সড়কের বাসিন্দা। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০৪ সালের শেষ দিকে, তিনি উপশহর এফ-ব্লকের ৮৩/১ নম্বর বাড়ির ২.৯৩ শতক জমি বিক্রির ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ওই এলাকারই ১১১ নম্বর বাড়ির মালিক আমজাদ হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন জমিটি কিনতে আগ্রহী হন।

সুফিয়া খাতুন জমিটি সাড়ে ৪ লাখ টাকায় কিনতে রাজি হন এবং ২০০৪ সালের ৯ অক্টোবর ৬০ হাজার টাকা বায়না দেন। পরে তিনি বাকি ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকাও পরিশোধ করেন। যদিও হায়দার পলাশ নোটারি এফিডেভিট করে দেন, তিনি জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেননি।

২০০৫ সালের ১৪ মার্চ, হায়দার গণি খান পলাশ একটি আমমোক্তারনামা করে সুফিয়া খাতুনকে জমির দখল দেন। সুফিয়া খাতুন এরপর জমিতে বাড়ি ও দোকান ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দেওয়া শুরু করেন। কিন্তু কিছুদিন পর হায়দার পলাশ ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ভাড়া আদায় শুরু করেন।

২০১৬ সালের ৮ জানুয়ারি এক সালিশে তিনি স্পষ্ট জানান, তিনি জমির দখল ছাড়বেন না। এর পরিপ্রেক্ষিতে সুফিয়া খাতুন ২০১৬ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রতারণার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ সাক্ষ্য ও শুনানির পর আদালত আসামির বিরুদ্ধে প্রতারণা প্রমাণিত হওয়ায় রায় ঘোষণা করেন। তবে সাজাপ্রাপ্ত হায়দার গণি খান পলাশ বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট