1. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  2. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  3. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইসির ওয়েবসাইটে ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁস, স্বীকার করল নির্বাচন কমিশন লৌহজংয়ে যৌথ বাহিনীর অভিযানে পিস্তল-গুলি ও বিপুল মাদকসহ দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী আটক দিনাজপুর-১ আসনে নির্বাচিত হলে গর্ভবতী মায়েদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেব: মতিউর রহমান হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত, ডিগ্রি পেল শতাধিক শিক্ষার্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজের নির্বাচনী গণসংযোগ ও সমাবেশ, মুখরিত কোলা বাজার খুলনা-৪ আসনে অবহেলা-বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে শান্তি ও উন্নয়নের অঙ্গীকার আজিজুল বারী হেলালের কাহারোল উপজেলায় ৩৫৮০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিশাল শোডাউন, নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থান স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন হরিণাকুণ্ডুতে মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ নারী গ্রেফতার, পলাতক স্বামী আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়বে রাতের তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদফতর

শুক্রবারের ‘নামাজ বিরতি’ বিধানসভায় বন্ধ! সিদ্ধান্তে তুমুল হট্টোগোল, মুসলিম বিধায়কদের মধ্যে চরম অসন্তোষ

আরটি বিডিনিউজ অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
বিধানসভা

৯০ বছর পর ভারতের বিধানসভায় বন্ধ শুক্রবারের ‘নামাজ বিরতি’ ! সরকারের সিদ্ধান্তের জেরে তুমুল হট্টোগোল। মুসলিম বিধায়কদের মধ্যে চরম অসন্তোষ।

কেন হঠাৎই ছন্দপতন!

৯০ বছর ধরে চলে আসা রীতিতে এবার ছেদ পড়ল। আজ থেকে বন্ধ হয়ে গেল শুক্রবারের বিধানসভার দুই ঘন্টার ‘নামাজ’ বিরতি। সরকারের এই সিদ্ধান্ত  চলতি বছরের বাজেট অধিবেশন থেকে কার্যকর করা হয়েছে। বিরোধী দলগুলি সরকারের এই ধরণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে এই সিদ্ধান্তকে সংখ্যাগরিষ্ঠের চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে স্পিকার সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার কথা উল্লেখ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এটিকে ঔপনিবেশিক ঐতিহ্যের অবসানের লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন।

অসম বিধানসভায় শুক্রবার নামাজ পড়ার জন্য মুসলিম বিধায়কদের জন্য বরাদ্দ দু ঘণ্টার ‘বিশেষ ছুটি’ বাতিল করা হয়েছে। অসম বিধানসভায় গত ৯০ বছর ধরে চলে আসছিল এই ঐতিহ্য। কিন্তু এবারের বাজেট অধিবেশন থেকেই এই ঐতিহ্যের অবসান ঘটল।

সরকারের পদক্ষেপে তীব্র অসন্তোষ লক্ষ্য করা গিয়েছে মুসলিম বিধায়কদের মধ্যে।  অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এআইইউডিএফ) এর বিধায়ক রফিকুল ইসলাম সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করেছেন।

কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা দেবব্রত সাইকিয়া পরামর্শ দিয়েছেন যে মুসলিম বিধায়কদের কাছাকাছি কোনও স্থানে নামাজ পড়ার সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, “আজ আমার দলের অনেক সহকর্মী এবং AIUDF বিধায়ক নামাজ পড়তে যাওয়ার কারণে বিধানসভার গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা মিস করেছেন। যেহেতু এটি কেবল শুক্রবারে একটি বিশেষ ধর্মীয় প্রার্থনা, তাই কাছাকাছি কিছু ব্যবস্থা করা যেতে পারত।”

অসম  বিধানসভায় প্রায় নয় দশক ধরে চলে আসা এই ঐতিহ্যের অবসান ঘটানোর সিদ্ধান্ত ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে বিধানসভার স্পিকারের নেতৃত্বে গঠিত রুলস কমিটি গ্রহণ করে। সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার কথা উল্লেখ করে স্পিকার পরামর্শ দেন যে অসম বিধানসভার কার্যক্রম অন্য দিনের মতো শুক্রবারও চালিয়ে যাওয়া উচিত। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এটিকে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন।

কিন্তু ৯০ বছর পর কেন ভারতের বিধানসভা এমন সিদ্ধান্ত নিলো তা ভারতীয় ও আর্ন্তজাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাবিয়ে তুলেছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট