1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পিরোজপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে এমপি মাসুদ সাঈদী বটগাছের ডালে ব্যতিক্রমী রেস্টুরেন্ট, ঝিনাইদহে দর্শনার্থীদের ভিড় টঙ্গীবাড়ীতে পাঁচ শতাধিক মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ দিঘলিয়ায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের পুত্র মালয়েশিয়া প্রবাসী শেখ ফিরোজ আহমেদের মৃত্যু পুলিশে শৃঙ্খলা ফিরেছে, জনবান্ধব বাহিনী গঠনে কাজ চলছে: আইজিপি টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে রেকর্ড সেঞ্চুরি ইতিহাস গড়লেন শান্ত হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ট্যাংকারে মার্কিন হামলা নারায়ণগঞ্জে জুমার নামাজে নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারীকে ঘিরে মসজিদে তীব্র ভিড় কদমতলীতে ফোম কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট মুন্সীগঞ্জে ‘ফ্যাক্টস ফর লাইফ’ কর্মশালা শুরু, শিশু ও নারীর স্বাস্থ্য সচেতনতায় গুরুত্ব

ঝিনাইদহে প্রচণ্ড গরমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫
প্রচণ্ড গরমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি

সারা দেশের মতো ঝিনাইদহেও চলমান দাবদাহ জনজীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। আর এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপর। শ্রেণিকক্ষে ফ্যানের অভাব, ঘাম ঝরানো পরিবেশ, আর ডে-শিফটের অসহনীয় তাপমাত্রা—সব মিলিয়ে যেন পাঠদান এক চরম কষ্টকর অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়েছে।

জেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ কক্ষে পর্যাপ্ত ফ্যান নেই। কোথাও একটি মাত্র ফ্যান থাকলেও সেটি অচল বা ঠিকভাবে কাজ করে না। ফলে শিক্ষার্থীরা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে, কেউ কেউ ক্লাস চলাকালীন অসুস্থও হয়ে পড়ছে।

মুরারীদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর একটি শ্রেণিকক্ষে অন্তত চারটি ফ্যান প্রয়োজন হলেও রয়েছে মাত্র তিনটি, যার একটি একেবারে অচল, অন্যটি মাঝেমধ্যে থেমে যায়।

খান-এ-খোদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এও দেখা গেছে একই অবস্থা। সেখানে শ্রেণিকক্ষ সংকুচিত, প্রাকৃতিক বাতাসের প্রবাহ নেই এবং কক্ষের মধ্যে রয়েছে মাত্র একটি সচল ফ্যান। তীব্র গরমে শিশুরা ক্লাসে মনোযোগ হারিয়ে ফেলছে এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে।

নাজমুল হোসেন নামের এক শিক্ষক জানান, “ডে-শিফটে ক্লাসের কারণে দুপুরের দিকে তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ক্লাস করানো যেমন কঠিন, তেমনি ছুটির পর শিক্ষার্থীদের তপ্ত রোদে বাড়ি ফেরা আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।”

তাদের দাবি— প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে কার্যকর ফ্যানের ব্যবস্থা করা হোক। ডে-শিফট বাতিল করে মর্নিং শিফট চালু করা হোক।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনন্দ কিশোর সাহা বলেন, “শিক্ষকদের বক্তব্য সঠিক। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট