1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

ঝিনাইদহে প্রচণ্ড গরমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫
প্রচণ্ড গরমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি

সারা দেশের মতো ঝিনাইদহেও চলমান দাবদাহ জনজীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। আর এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপর। শ্রেণিকক্ষে ফ্যানের অভাব, ঘাম ঝরানো পরিবেশ, আর ডে-শিফটের অসহনীয় তাপমাত্রা—সব মিলিয়ে যেন পাঠদান এক চরম কষ্টকর অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়েছে।

জেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ কক্ষে পর্যাপ্ত ফ্যান নেই। কোথাও একটি মাত্র ফ্যান থাকলেও সেটি অচল বা ঠিকভাবে কাজ করে না। ফলে শিক্ষার্থীরা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে, কেউ কেউ ক্লাস চলাকালীন অসুস্থও হয়ে পড়ছে।

মুরারীদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর একটি শ্রেণিকক্ষে অন্তত চারটি ফ্যান প্রয়োজন হলেও রয়েছে মাত্র তিনটি, যার একটি একেবারে অচল, অন্যটি মাঝেমধ্যে থেমে যায়।

খান-এ-খোদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এও দেখা গেছে একই অবস্থা। সেখানে শ্রেণিকক্ষ সংকুচিত, প্রাকৃতিক বাতাসের প্রবাহ নেই এবং কক্ষের মধ্যে রয়েছে মাত্র একটি সচল ফ্যান। তীব্র গরমে শিশুরা ক্লাসে মনোযোগ হারিয়ে ফেলছে এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে।

নাজমুল হোসেন নামের এক শিক্ষক জানান, “ডে-শিফটে ক্লাসের কারণে দুপুরের দিকে তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ক্লাস করানো যেমন কঠিন, তেমনি ছুটির পর শিক্ষার্থীদের তপ্ত রোদে বাড়ি ফেরা আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।”

তাদের দাবি— প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে কার্যকর ফ্যানের ব্যবস্থা করা হোক। ডে-শিফট বাতিল করে মর্নিং শিফট চালু করা হোক।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনন্দ কিশোর সাহা বলেন, “শিক্ষকদের বক্তব্য সঠিক। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট