1. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  2. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  3. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইসির ওয়েবসাইটে ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁস, স্বীকার করল নির্বাচন কমিশন লৌহজংয়ে যৌথ বাহিনীর অভিযানে পিস্তল-গুলি ও বিপুল মাদকসহ দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী আটক দিনাজপুর-১ আসনে নির্বাচিত হলে গর্ভবতী মায়েদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেব: মতিউর রহমান হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত, ডিগ্রি পেল শতাধিক শিক্ষার্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজের নির্বাচনী গণসংযোগ ও সমাবেশ, মুখরিত কোলা বাজার খুলনা-৪ আসনে অবহেলা-বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে শান্তি ও উন্নয়নের অঙ্গীকার আজিজুল বারী হেলালের কাহারোল উপজেলায় ৩৫৮০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিশাল শোডাউন, নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থান স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন হরিণাকুণ্ডুতে মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ নারী গ্রেফতার, পলাতক স্বামী আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়বে রাতের তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদফতর

ঝিনাইদহের পৌরসভাগুলোতে সেবার নামে প্রহসন, নাগরিকরা কর দিয়ে কিনছেন অবহেলা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ মে, ২০২৫
ঝিনাইদহের পৌরসভাগুলোতে নাগরিক সেবায় চরম অব্যবস্থা, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
ঝিনাইদহের একটি পৌর এলাকার বেহাল সড়ক; খানাখন্দে ভরা এই রাস্তায় চলাফেরা করছে স্থানীয় মানুষ। নিয়মিত কর দিয়েও নাগরিক সেবার ঘাটতিতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

ঝিনাইদহের পৌরসভাগুলোতে নাগরিক সুবিধা নয়, বরং দুর্ভোগই যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। নিয়মিত পৌর কর প্রদান করেও নাগরিকরা পাচ্ছেন না প্রয়োজনীয় সেবা। রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ, পরিচ্ছন্নতা সব ক্ষেত্রেই বিরাজ করছে সীমাহীন অব্যবস্থা। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব পৌরসভা যেন শুধু কর আদায়ের যন্ত্রে পরিণত হয়েছে।

ঝিনাইদহের মোট ৬টি পৌরসভা। এর মধ্যে হরিণাকুন্ডু বাদে বাকি ৫টি পৌরসভাই প্রথম শ্রেণীর। এই পৌরসভাগুলোতে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ বসবাস করেন, যাদের অধিকাংশই প্রতিনিয়ত নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্রই চোখে পড়েছে।

হরিণাকুন্ডু পৌর এলাকা ঘুরে দেখা যায় পুরো এলাকার সড়কজুড়ে খানাখন্দ। বর্ষায় এসব রাস্তায় চলাফেরা রীতিমতো দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। পৌরসভার সামনেই নেই সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা। পরিস্থিতি দেখে মনে হয়, জনদুর্ভোগ নয়, বরং উদাসীনতাই যেন প্রশাসনের অভ্যস্ততা।

এদিকে মহেশপুর পৌরসভায়ও চিত্র একই। বছরের পর বছর কোনো সড়ক সংস্কার হয়নি। অনেক এলাকায় নেই সড়কবাতি, ফলে রাত নামতেই পুরো শহর ঢেকে যায় অন্ধকারে। পৌর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানিনিষ্কাশন ব্যবস্থা সবকিছুতেই চোখে পড়ে চরম বিশৃঙ্খলা।

স্থানীয়রা বলছেন, কর দিয়ে শুধু দায়িত্ব পালন করছেন তারা, কিন্তু সেবার জায়গায় অব্যবস্থা ছাড়া কিছুই পাচ্ছেন না। অনেকেই বলছেন, ইউনিয়ন পরিষদের সেবাও এর চেয়ে ভালো।

এ বিষয়ে পৌর এলাকার বাসিন্দা রাজুল ইসলাম বলেন, “প্রতিদিন রাস্তায় চলতে গিয়ে পায়ে কাদা লাগে, কখনো পড়ে গিয়ে আহতও হয় মানুষ। বছরের পর বছর ধরে একই অবস্থা। আমরা কর দিই, কিন্তু সেবা কই?” দীর্ঘদিন ধরে সড়ক সংস্কার হয়নি।

মহেশপুর পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন, “আমাদের এলাকায় সন্ধ্যার পর ঘর থেকে বের হওয়া দায় হয়ে পড়েছে। চারদিকে অন্ধকার, রাস্তার অবস্থাও খারাপ। পৌরসভার লোকজন আসলে শুধু কর তুলতে জানে, কাজের বেলায় নেই।”

সচেতন নাগরিক এম রায়হান বলেন, “নামমাত্র উন্নয়ন কার্যক্রম দিয়ে মানুষের চোখে ধুলা দেওয়া যাবে না। সময় এসেছে বাস্তব নির্ভর টেকসই পরিকল্পনায় এগিয়ে যাওয়ার।”

এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রথীন্দ্রনাথ রায় জানান, “পৌরসভাগুলোর উন্নয়ন কার্যক্রম নিজস্ব অর্থায়নে চলে। ইতিমধ্যে প্রশাসকদের জরুরি প্রয়োজন অনুযায়ী কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট