
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। যাচাই শেষে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার (তারিখ) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফী। এ সময় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের মোট ৯ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জ সদর ও গজারিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচনে অংশ নিতে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন ত্রুটি ও অসঙ্গতির কারণে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
ভোটার তালিকার ১ শতাংশ তথ্যের সিরিয়াল নম্বরে গড়মিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ–এর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া তথ্যের অসঙ্গতির কারণে নূর হোসাইন নুরানী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস)–এর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
দলীয় মনোনয়ন ফরমে পূর্বের কমিটির সভাপতির স্বাক্ষর থাকা এবং নতুন সভাপতির স্বাক্ষর অন্তর্ভুক্ত না থাকায় শেখ মো. কামাল হোসেন (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি)–এর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। পাশাপাশি হলফনামায় মামলার তথ্য গোপন করায় বাংলাদেশ লেবার পার্টির আনিছ মোল্লা–এর মনোনয়নও বাতিল ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে যাচাই-বাছাই শেষে ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন— মো. কামরুজ্জামান রতন (বিএনপি), মো. আরিফুজ্জামান দিদার (জাতীয় পার্টি), হাজী আক্কাস কাজী (খেলাফত মজলিস), শেখ মো. শিমুল (বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি) এবং সুমন দেওয়ান (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সৈয়দা নূরমহল আশরাফী বলেন, তথ্যে গড়মিল, তথ্য গোপন, স্বাক্ষরের ত্রুটি ও দলীয় কাগজপত্রে অসঙ্গতির কারণে কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। যাদের কাগজপত্রে কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়নি, তাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, তারা আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল করিম, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা।