1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

নির্বাচন ব্যবস্থায় সংস্কার: রাজনৈতিক দল পরিবর্তনে নতুন শর্ত

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
নতুন নির্বাচন কমিশন রোববার শপথ নেবে

নির্বাচনে এক দলের মনোনয়ন না পেয়ে অন্য দলের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বন্ধে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন। প্রস্তাব অনুযায়ী, দল পরিবর্তন করে অন্য দলের প্রার্থী হতে চাইলে সংশ্লিষ্ট দলে তিন বছরের সদস্যপদ থাকা বাধ্যতামূলক। কমিশনের মতে, নির্বাচনের সময় দল ভাঙাগড়ার এ খেলা রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে, যা দুর্নীতি ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অনৈতিক কার্যক্রম বাড়ায়।

উদাহরণ হিসেবে, ১২তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ঝালকাঠি-১ আসনে নির্বাচন করেন শাহজাহান ওমর বীর উত্তম। তিনি নৌকা প্রতীকে জয়ী হলেও পরবর্তীতে দুর্নীতির দায়ে কারাবন্দি হন।

বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থায় ভোটের অংশগ্রহণের জন্য কোনো ন্যূনতম হার নির্ধারিত নেই। কমিশনের মতে, ভোটারদের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন গণতন্ত্রকে দুর্বল করে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ভোট পড়ার ন্যূনতম একটি হার নির্ধারণ করা হবে। যদি নির্ধারিত হারের নিচে ভোট পড়ে, তবে নির্বাচন বাতিল হবে।

২০২০ সালে ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে মাত্র ৫.২৫% ভোট পড়েছিল, যা এ সমস্যার একটি উদাহরণ।

কমিশন ‘না’ ভোট ফিরিয়ে আনার সুপারিশ করছে। ‘না’ ভোট চালু হলে ভোটাররা অযোগ্য প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদ জানাতে পারবেন। কোনো প্রার্থী ‘না’ ভোটের তুলনায় কম ভোট পেলে সেখানে পুনরায় নির্বাচন হবে।

এটি একক প্রার্থীর নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ রোধ করবে এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে যোগ্য প্রার্থী মনোনীত করতে বাধ্য করবে।

কমিশন অন্তত ১৫-১৬টি বিষয়ে সংস্কারের সুপারিশ করছে। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য,  নির্ধারিত ভোটের হার পূরণ না হলে নির্বাচন বাতিল। নারী আসন বৃদ্ধি ও নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন। আরপিওতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী অন্তর্ভুক্ত করা। প্রার্থীর দেওয়া তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করার বিধান, নির্বাচনি মামলা নিষ্পত্তির সময় নির্ধারণ, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা পরিবর্তন।

কমিশন এ পর্যন্ত ৩০টি বৈঠক করেছে। সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সাংবাদিক, নারী প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে কমিশন নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে চলতি মাসেই চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেবে।

কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, “নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য সংস্কার অপরিহার্য। প্রার্থী মনোনয়ন, ভোটারের অংশগ্রহণ, এবং ইসির ক্ষমতা বাড়ানোর মতো বিষয়গুলোতে আমরা জোর দিচ্ছি। আমাদের কোনো বিশেষ এজেন্ডা নেই। অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতেই সুপারিশ চূড়ান্ত করব।”

এই উদ্যোগের মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জনগণের আস্থা বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট