
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু। বুধবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই প্রত্যাশার কথা জানান।
ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। এর মধ্য দিয়ে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেওয়ার আইনি বাধা কাটল মীর সরফত আলী সপুর।
মীর সরফত আলী সপু বলেন, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সাধারণ জনগণের চাওয়া ও অনুরোধের কারণেই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র কিনতে বাধ্য হন। আজ আপিলের মাধ্যমে সেই মনোনয়ন বৈধতা পাওয়ায় তিনি মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, “আল্লাহ যদি চান, আমি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সর্বাত্মক চেষ্টা করব। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে সমাজের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধানে কাজ করব।”
বক্তব্যে মীর সরফত আলী সপু তার দলের প্রতি আনুগত্য ও আবেগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমাদের প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন।”
তিনি জানান, দলের চেয়ারম্যান আগামী ২২ তারিখ থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন এবং সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। সে নির্দেশনা অনুযায়ী সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করবেন বলেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। তার ভাষায়, “ইনশাআল্লাহ, বিজয় আমাদের হবেই।”
উল্লেখ্য, গত ১ জানুয়ারি মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপির দুই নেতা মীর সরফত আলী সপু ও মমিন আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে মীর সরফত আলী সপুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়, তবে অপর প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত থাকে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও প্রাণবন্ত হবে।