
মুন্সীগঞ্জ-১ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। সমর্থনকারী ভোটারদের স্বাক্ষরে গরমিল পাওয়ায় বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক মীর সফরত আলী সপু এবং জেলা কমিটির সদস্য মমিন আলী।
বৃহস্পতিবার সকালে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে এ সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী যাচাই শেষে দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘোষণা দেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র দাখিলের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী মোট ভোটারের অন্তত এক শতাংশ সমর্থনকারী ভোটারের স্বাক্ষর জমা দিতে হয়। যাচাইয়ের সময় মীর সফরত আলী সপু ও মমিন আলীর মনোনয়নপত্রে উল্লিখিত ভোটারদের স্বাক্ষরের সঙ্গে ভোটার তালিকার তথ্যের অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়। এ কারণে নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী তাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
একই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ও সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মো. আব্দুল্লাহ। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আতিকুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজী, কমিউনিস্ট পার্টির আব্দুর রহমান এবং বিপ্লব ইনসানিয়াত বাংলাদেশের প্রার্থী রোকেয়া আক্তারও বৈধতা পেয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, নির্বাচন বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকছে। আপিল নিষ্পত্তির পরই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এখন আপিলের ফলাফল ও পরবর্তী নির্বাচনী কার্যক্রমের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।