
একাই লড়াই করলেন শামীম পাটোয়ারি। অন্য প্রান্তে ঢাকা ক্যাপিটালসের ব্যাটাররা একে একে সাজঘরে ফিরলেও ইনিংসের শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থেকে ঝড়ো ব্যাটিং চালিয়ে যান তিনি। তবে শামীমের দুর্দান্ত ইনিংসও শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেনি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নাটকীয় এই ম্যাচে ৬ রানের রুদ্ধশ্বাস জয় পেয়েছে সিলেট টাইটান্স।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামে সিলেট টাইটান্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে দলটি সংগ্রহ করে ১৭৩ রান। সিলেটের ইনিংসে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন আফগান অলরাউন্ডার আজমতুল্লাহ ওমরজাই। মাত্র ২৪ বলে অপরাজিত ৫০ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা।
সিলেটের হয়ে আরেকটি কার্যকর ইনিংস খেলেন পারভেজ হোসেন ইমন। তিনি ৩২ বলে ৪৪ রান করেন, যেখানে ছিল ২টি চার ও ২টি ছক্কা। ঢাকার বোলারদের মধ্যে সালমান মির্জা ছিলেন সবচেয়ে সফল। তিনি ২টি উইকেট শিকার করেন।
১৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধসে পড়ে ঢাকা ক্যাপিটালসের ব্যাটিং লাইনআপ। দলীয় মাত্র ৪৩ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় ঢাকা। কঠিন এই পরিস্থিতিতে ষষ্ঠ উইকেটে সাব্বির আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে ৪৬ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন শামীম পাটোয়ারি।
তবে দলীয় ৮৯ রানে সাব্বির আহমেদ ১৯ বলে ২৩ রান করে আউট হলে আবারও চাপ বাড়ে ঢাকার ওপর। এরপর একপ্রান্ত আগলে রেখে ঝড়ো ব্যাটিং চালিয়ে যান শামীম। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ঢাকা ক্যাপিটালস থামে ১৬৭ রানে।
শেষ পর্যন্ত ৯টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৪৩ বলে অপরাজিত ৮১ রান করেন শামীম পাটোয়ারি। তার এই অনবদ্য ইনিংস দর্শকদের মুগ্ধ করলেও দলের হার এড়াতে পারেনি। ঢাকার ইনিংসে সিলেটের হয়ে বল হাতে বড় ভূমিকা রাখেন আজমতুল্লাহ ওমরজাই, যিনি ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন।
সব মিলিয়ে ব্যাটে ও বলে ওমরজাইয়ের অলরাউন্ড নৈপুণ্য আর শামীম পাটোয়ারির একার লড়াইয়ের ম্যাচে শেষ হাসি হাসে সিলেট টাইটান্স।