
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ঐতিহাসিকভাবে অভ্যর্থনা জানাতে ঢাকায় লাখ লাখ নেতাকর্মীর সমাগম হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর পর প্রিয় নেতা তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিএনপি ও দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
শনিবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত প্রস্তুতি সভা ও শহীদ ওসমান হাদীর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মীর সরফত আলী সপু বলেন, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে সফল করতে বিএনপির নেতাকর্মীরা দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এই কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও জনসমর্থননির্ভর হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, “এই প্রত্যাবর্তন শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়, এটি দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।”
প্রসঙ্গক্রমে মীর সরফত আলী সপু বলেন, “অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে জুলাই যোদ্ধা আমাদের ভাই শহীদ ওসমান হাদীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আজকের দিনটি শুধু আমাদের দলের নয়, পুরো জাতির জন্যই শোকাবহ।”
তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে যে শোক প্রকাশ করা হয়েছে, বিএনপিও সেই শোকে সমব্যথী। “আজ আমরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেছি—আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন,” যোগ করেন তিনি।
প্রস্তুতি সভা ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য আলহাজ্ব মমিন আলী, আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল, দেলোয়ার হোসেন, জসিম মোল্লা, শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন মোল্লা, মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স নাদিম, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ হোসেন ফাহাদসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
নেতৃবৃন্দ বলেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘিরে সারাদেশের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা ও আশাবাদ বিরাজ করছে।