1. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  2. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  3. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাপানে ৭.৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি দেশে আসছে মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ‘পরশ’: তাপমাত্রা নামতে পারে ৮–১০ ডিগ্রিতে কম্বোডিয়ায় বিমান হামলার পর থাইল্যান্ডের কড়া হুঁশিয়ারি ১০ ডিসেম্বর রেকর্ড হবে সিইসির ভাষণ, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সম্ভাবনা পিরোজপুরে আদর্শ মা ও আদর্শ শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কাহারোলে জামায়াতের এমপি প্রার্থীর গণসংযোগ, দোয়া ও ভোট চাইলেন মতিউর রহমান কালীগঞ্জে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে ঠিকাদারের অবহেলা: ৭ গ্রামের মানুষের চরম ভোগান্তি না‌জিরপু‌রে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শ্রীলঙ্কাকে ৭৮ রানে হারালো বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ কুতুবদিয়ায় প্রধান শিক্ষকের মামলায় আটকে আছে ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদোন্নতি

ত্রিশ বছর ধরে এক ফিলিস্তিনি মা ছেলের অপেক্ষায়…..!

আরটি বিডিনিউজ অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
সন্তানের জন্য অপেক্ষায় থাকা এক ফিলিস্তিনি মা

ত্রিশ বছরের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি ৭৫ বছর বয়সী নাজাত আল-আগার ছেলে দিয়া। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও হতাশাই জুটল মায়ের কপালে। এবার ছেলে ফিরে আসবে—সেই আশায় আনন্দে গাজার বিধ্বস্ত রাস্তাঘাট হাতড়ে বেড়াচ্ছিলেন নাজাত। যদি কিছু পাওয়া যায়, যা দিয়ে ছেলেকে স্বাগত জানাতে পারেন তিনি।

নাজাত বলেন, ‘আমি গাজার ওমার আল মুখতার স্ট্রিটে হাঁটতে হাঁটতে ভাবছিলাম, কি-ই বা দিতে পারি আমার ছেলেকে? জামাকাপড়ে ভরে ফেলি ব্যাগ, টুথপিকও ভরেছিলাম ব্যাগে।’

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ বিরতির শর্ত অনুযায়ী শনিবার ইসরায়েলি জিম্মিদের বিনিময়ে যেসব ফিলিস্তিনি বন্দিকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ছিল, সেই তালিকায় ছিল দিয়ার নামও। ১২ ঘণ্টা ধরে গাজার ইউরোপীয় হাসপাতালে বন্দি বিনিময়ের স্থানে অপেক্ষা করেন নাজাত। কিন্তু ৬২০ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে ফেরত পাঠালেও নাজাতের ছেলে দিয়াকে পাঠায়নি ইসরায়েল।

ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাকি বন্দিদের মুক্ত করার আগে বাকি ইসরায়েলি জিম্মিদেরও মুক্ত করা হবে—এমন নিশ্চয়তা চায় তারা। এই খবর পাওয়ার মুহূর্ত থেকে নিজের আবেগ সামলাতে পারছেন না সদ্য ৫০ বছর পেরোনো দিয়ার মা নাজাত। তিনি বলেন, ‘আমি সব কিছু তার জন্য প্রস্তুত করেছি, তবু সে মুক্তি পেল না। আমাকে তারা বাধ্য করে বাসায় ফিরে যেতে, কিন্তু আমি চাইছিলাম সেখানেই বসে থাকি, যত দিন না দিয়া মুক্তি পায়।

১৯৯২ সালে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এক কর্মকর্তাকে মারার কারণে কারাবন্দি হন দিয়া আল-আগা। ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি কারাবাসে থাকা ১৮ জন ফিলিস্তিনি বন্দির একজন তিনি। এত দীর্ঘ সময় বন্দি থাকতে থাকতেই তিনি হারান নিজের বাবা ও বোনকে। কারাগারে তাকে ডাকা হয় ‘বন্দিদের অধ্যক্ষ’ নামে।

হামাস সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে ইসরায়েলি বন্দিদের ফেরত পাঠিয়েছে, তাকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছে।

ইসরায়েলের মতে, এভাবে ফেরত পাঠানো বন্দিদের জন্য রীতিমতো অসম্মানজনক ছিল। ভিড়ের মাঝে স্টেজের ওপর বন্দিদের তুলে তারপর তাদের ফেরত পাঠানো হয়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে বন্দিদের দেহাবশেষ থাকা কফিনও ভিড়ের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিন ধাপের যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, আরো ৬৩ জন জিম্মি থাকার কথা গাজায়, যাদের মুক্তি দেওয়ার কথা আছে এই চুক্তিতে। তাদের মধ্যে অন্তত ৩০ জন জিম্মির জীবিত থাকার কথা জানা গেছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় আশা ছাড়ছেন না নাজাত। ইসরায়েলি হামলায় ভেঙে পড়া তার বাসার গায়ে এখনো ঝুলছে একটি সাইন বোর্ড, যার গায়ে লেখা, ‘এটা বন্দি দিয়া জাকারিয়া আল-আগার বাসস্থান।

মা নাজাতের সন্তানের জন্য অপেক্ষার সংবাদটি নেটদুনিয়ায় পাঠকদের চোখে জল এনে দিয়েছে।’

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট