1. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঝিনাইদহে ২৮ প্রজাতির দেশীয় ফল নিয়ে জমজমাট ফল উৎসব কাহারোলে শ্যামলবাংলা স্কুলে ২১ প্রজাতির দেশীয় ফল নিয়ে বর্ণাঢ্য ফল মেলা হরিণাকুন্ডুতে ছাদ বাগানের আনার চাষে বাজিমাত প্রবাস ফেরত যুবকের কালীগঞ্জে জমি বিরোধের জেরে বৃদ্ধাকে পিটিয়ে আহতের অভিযোগ, থানায় ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং পাবে জাপানি কনসোর্টিয়াম ‘জুলাই আত্মত্যাগ, গণতন্ত্র ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার শপথের প্রতীক’ ঝিনাইদহে তিন ফসলী জমিতে অটোরাইস মিল নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন, নির্মাণকাজ বন্ধের দাবি ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’, অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড শৈলকুপায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ভ্যানচালকের মৃত্যু ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত বাসে আগুন, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন সব যাত্রী

পশ্চিমবঙ্গে কোরবানির আগে গরু বিক্রি সংকট, বিপাকে হিন্দু খামারিরা

আরটি বিডিনিউজ অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গে কোরবানির আগে গরুর বাজারে সংকটে পড়া হিন্দু খামারিরা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ঈদুল আজহাকে ঘিরে গরু কেনাবেচায় দেখা দিয়েছে বড় ধরনের সংকট। রাজ্য সরকারের নতুন নির্দেশনার পর মুসলিম ক্রেতাদের একটি বড় অংশ গরু কেনা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ফলে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরে গরু মোটাতাজা করা হিন্দু খামারিরা এখন চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বিক্রি না হওয়ায় খামারে থাকা গরুগুলো নিয়ে তাদের মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (১৮ মে) পশ্চিমবঙ্গের নবগঠিত সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণমন্ত্রী অগ্নিমিত্র পাল। তিনি জানান, পুরো বিষয়টি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

মন্ত্রী অগ্নিমিত্র পাল বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় খুব দ্রুতই রাজ্য সরকার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই।” তার এই বক্তব্যের পর পশ্চিমবঙ্গজুড়ে গরু ব্যবসা ও কোরবানির বাজার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গে বহু বছর ধরেই হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেক খামারি শুধুমাত্র কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গরু মোটাতাজা করে থাকেন। ঈদের সময় মুসলিম ক্রেতাদের কাছে এসব গরু বিক্রি করে তারা বড় অঙ্কের লাভ পেতেন। এতে একদিকে যেমন খামারিরা আর্থিকভাবে লাভবান হতেন, অন্যদিকে কোরবানির পশুর বাজারও ছিল প্রাণবন্ত।

কিন্তু সম্প্রতি ভারতীয় জনতা পার্টি নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার নতুন একটি নির্দেশনা জারি করে। সেখানে বলা হয়, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো গরু বা মহিষ জবাই করা যাবে না। পাশাপাশি গরু জবাইয়ের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স ১৪ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই কোরবানির পশুর বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কারণে অনেক মুসলিম ক্রেতা এখন গরু কেনা থেকে বিরত থাকছেন। ফলে ঈদকে কেন্দ্র করে যেসব খামারি ঋণ নিয়ে গরু পালন করেছিলেন, তারা এখন আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, দ্রুত কোনো সমাধান না এলে ছোট খামারিরা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন।

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গে কোরবানির পশুর বাজার শুধু ধর্মীয় আয়োজনের অংশ নয়, এটি একটি বড় অর্থনৈতিক চক্রের সঙ্গেও জড়িত। প্রতি বছর ঈদুল আজহাকে ঘিরে হাজার হাজার খামারি, ব্যবসায়ী ও শ্রমিকের জীবিকা নির্ভর করে এই বাজারের ওপর। তাই সরকারের নতুন নীতিমালার প্রভাব রাজ্যের গ্রামীণ অর্থনীতিতেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট