1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

কক্সবাজারে টেকনাফে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, ৩৪ জনের মধ্যে নারী-পুরুষ ও শিশু

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ

ফিশিং বোটে সাগর পাড়ি দিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ হয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছেন ৩৪ জন রোহিঙ্গা, যাদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশুও রয়েছে। শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) ভোরে টেকনাফের বাহারছড়ার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর শিলখালী নৌকা ঘাটের দক্ষিণ পাশে ঝাউবন দিয়ে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের মংডু থেকে পালিয়ে এসে এ সময় সীমান্ত পাড়ি দেন।

প্রথমে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন কেফায়েত উল্লাহ, একজন রোহিঙ্গা। তিনি বলেন, “আরাকান আর্মির দখলে থাকা শহর ও গ্রামে জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। খাবারের সংকটসহ অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। আরাকান আর্মির সদস্যরা যুবকদের ধরে নিয়ে ক্যাম্পে নিয়ে যাচ্ছে, যা আমাদের জন্য আরও বিপদজনক হয়ে উঠেছে। তাই আমি আমার পরিবার নিয়ে সাগর পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয়ের জন্য এসেছি।”

রাখাইনে চলমান সংঘর্ষের কারণে রোহিঙ্গারা নিজের নিরাপত্তা ও পরিবার বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছেন। কেফায়েত উল্লাহ আরও বলেন, “ফিশিং বোটে চারদিন পাড়ি দেওয়ার পর আমরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছি, তবে পরিস্থিতি এখনও শোচনীয়।”

অনুপ্রবেশের পর, এসব রোহিঙ্গারা বিভিন্ন ক্যাম্পে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানা গেছে। টেকনাফের বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শোভন কুমার সাহা এ ব্যাপারে বলেন, “রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের বিষয়ে আমরা এখনও কোনো তথ্য পাইনি। জল ও স্থল সীমান্তের এই বিষয়টি নির্দিষ্ট সংস্থা দেখভাল করে।”

রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের এই ধারাবাহিকতা শঙ্কার কারণ হয়ে উঠেছে, কারণ বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থানরত লাখ লাখ শরণার্থী আগে থেকেই সংকটের মুখে। এটি বাংলাদেশের সীমান্তের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে সেসব রোহিঙ্গাদের জন্য যারা প্রাণের ভয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট