1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

রাশিয়া-চীনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়, মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্রাগার সেকেলে

আরটি বিডিনিউজ অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্রাগার পুরনো ও সীমিত বলে সতর্ক করেছেন কৌশলগত প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ রবার্ট পিটার্স। রাশিয়া ও চীন দ্রুত অস্ত্রাগার বাড়ালেও ওয়াশিংটন ২০৫০ সালের মধ্যে মাত্র তিনগুণ বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের অ্যালিসন সেন্টার ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটির কৌশলগত প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ রবার্ট পিটার্স সতর্ক করেছেন, মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্রাগার বর্তমানে পুরনো হয়ে গেছে এবং রাশিয়া-চীনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তা অপর্যাপ্ত।

ফক্স নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে প্রায় ১ হাজার ৭৫০টি কার্যকরী (মোতায়েনকৃত) পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে। বিশেষজ্ঞের মতে, এই সংখ্যা রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়ার দ্রুত সম্প্রসারিত অস্ত্রাগারের তুলনায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্রকে।

রবার্ট পিটার্স উল্লেখ করেন, “আমাদের নতুন ওয়ারহেডগুলোও ১৯৮৯ সালে তৈরি। ২০১০ সালে প্রেসিডেন্ট ওবামার সময়ে যে শক্তির কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেটিই এখনও চলছে। তখন ধারণা করা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে প্রতিযোগিতা শেষ হবে এবং চীন পারমাণবিক ক্ষেত্রে বড় খেলোয়াড় হবে না।”

ওয়াশিংটনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে কার্যকরী পারমাণবিক ওয়ারহেড সংখ্যা তিনগুণ বাড়িয়ে প্রায় ৪৬২৫-এ উন্নীত করা হবে। এর মধ্যে ৩৫০০ কৌশলগত ওয়ারহেড মোতায়েন করা হবে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সাবমেরিন ও বোমারু বিমানে। এছাড়া ১১২৫টি অ-কৌশলগত ওয়ারহেড সংরক্ষণে থাকবে।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (SIPRI)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে প্রায় সব পারমাণবিক শক্তিধর দেশ ২০২৪ সালে তাদের অস্ত্রাগার আধুনিকীকরণে গতি বাড়িয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বিশ্বে মোট ১২ হাজার ২৪১টি পারমাণবিক ওয়ারহেড ছিল, যার মধ্যে ৯ হাজার ৬১৪টি মজুদ রাখা হয়েছে সম্ভাব্য ব্যবহারের জন্য। এর মধ্যে ৩৯১২টি মোতায়েনকৃত এবং ২১০০টি উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের মোট পারমাণবিক অস্ত্রের প্রায় ৯০ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার হাতে। বর্তমানে চীনের কাছে কমপক্ষে ৬০০টি ওয়ারহেড রয়েছে এবং ২০২৩ সাল থেকে দেশটি প্রতি বছর প্রায় ১০০টি নতুন ওয়ারহেড যুক্ত করছে, যা বিশ্বে দ্রুততম হারে পারমাণবিক অস্ত্রাগার সম্প্রসারণ।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তার অস্ত্রাগার দ্রুত আধুনিকায়ন না করে, তবে আসন্ন দশকে রাশিয়া ও চীনের তুলনায় নিরাপত্তাজনিত বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট