1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

দক্ষিণ আফ্রিকায় খাদ্য সংকটে ৬০ হাজারের বেশি পেঙ্গুইনের মৃত্যু

আরটি বিডিনিউজ অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
দক্ষিণ আফ্রিকায় খাদ্য সংকটে ৬০ হাজারেরও বেশি আফ্রিকান পেঙ্গুইন মারা গেছে। সার্ডিন মাছ কমে যাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অতিরিক্ত মাছ শিকারকে গবেষকরা এই বিপর্যয়ের মূল কারণ হিসেবে জানিয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় অঞ্চলে মারাত্মক খাদ্য সংকট তৈরি হওয়ায় ৬০ হাজারেরও বেশি আফ্রিকান পেঙ্গুইনের মৃত্যু হয়েছে বলে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, পেঙ্গুইনের প্রধান খাদ্য সার্ডিন মাছ ভয়াবহভাবে কমে যাওয়ায় এ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব ও অতিরিক্ত মাছ আহরণই এই গণহ্রাসের মূল কারণ।

গবেষণা অনুসারে, ২০০৪ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে আফ্রিকান পেঙ্গুইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রজননস্থল—ডাসেন দ্বীপ ও রবিন আইল্যান্ডে পেঙ্গুইনের সংখ্যা ৯৫ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে। বিশেষ করে মোল্টিং (পালক পরিবর্তনের সময়) পর্যায়ে পর্যাপ্ত খাদ্য না পাওয়ায় মৃত্যুহার দ্রুত বাড়তে শুরু করে। মোল্টিংয়ের ২১ দিনের সময়টিতে পেঙ্গুইনরা সমুদ্রে যেতে পারে না; ফলে আগে থেকেই পর্যাপ্ত চর্বি সঞ্চয় না থাকলে তারা সহজেই অপুষ্টিতে মারা যায়।

ওস্ট্রিচ: জার্নাল অব আফ্রিকান ওরনিথোলজি–তে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, এ ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন বিপর্যয় নয়; বরং আফ্রিকার বিভিন্ন উপকূলজুড়ে একইভাবে পেঙ্গুইনের সংখ্যা কমছে। ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটারের সেন্টার ফর ইকোলজি অ্যান্ড কনজারভেশনের গবেষক ড. রিচার্ড শার্লি বলেন, “মোল্টিংয়ের আগে বা পরে যদি পর্যাপ্ত খাবার পাওয়া না যায়, তাহলে তারা উপবাসের সময় টিকে থাকতে পারে না। অনেক পেঙ্গুইন সমুদ্রেই মারা যায়, তাই মৃতদেহ পাওয়া যায় না।”

গবেষকরা জানিয়েছেন, ২০০৪ সালের পর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলে সার্ডিন মাছের সংখ্যা ভয়াবহভাবে কমে গেছে। তাপমাত্রা ও লবণাক্ততার পরিবর্তন মাছের ডিম ছাড়াকে ব্যাহত করছে, অন্যদিকে অতিরিক্ত মাছ শিকার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সার্ডিনই আফ্রিকান পেঙ্গুইনের প্রধান খাদ্য হওয়ায় এই সংকট সরাসরি তাদের বেঁচে থাকার ওপর প্রভাব ফেলছে।

গত ৩০ বছরে আফ্রিকান পেঙ্গুইনের সংখ্যা প্রায় ৮০ শতাংশ কমে গেছে। ২০২৪ সালে প্রজাতিটিকে ‘অতিসংকটাপন্ন’ (Critically Endangered) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে প্রজননক্ষম জোড়া পেঙ্গুইনের সংখ্যা ১০ হাজারেরও কম—যা প্রজাতি বিলুপ্তির সম্ভাবনা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সার্ডিন মাছ আহরণ সীমিত করা এবং উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র দ্রুত পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া না হলে আফ্রিকান পেঙ্গুইন একসময়ে পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট