1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষার্থী ভিসায় কড়াকড়ি: ভারত, বাংলাদেশসহ চার দেশ ‘সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ তালিকায়

আরটি বিডিনিউজ অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
অস্ট্রেলিয়া ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ক্যাটাগরিতে যুক্ত করেছে। ফলে এসব দেশের শিক্ষার্থী ভিসা যাচাই–বাছাই আরও কঠোর করা হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার চারটি দেশ—ভারত, নেপাল, বাংলাদেশ ও ভুটানকে ‘সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ (Highest Risk) ক্যাটাগরিতে যুক্ত করেছে অস্ট্রেলিয়া। এর ফলে এসব দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনে যাচাই–বাছাই আরও কঠোর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো।

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো, যখন দেশটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির বড় একটি অংশ দক্ষিণ এশিয়ার এই চার দেশ থেকে আসে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ছিল ভারত, নেপাল, বাংলাদেশ ও ভুটান থেকে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং ঝুঁকি আরও কার্যকরভাবে মোকাবেলার লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ভিসা ব্যবস্থায় কিছু অপব্যবহার ও অনিয়মের আশঙ্কা থাকায় যাচাই প্রক্রিয়া শক্তিশালী করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

মুখপাত্র আরও বলেন, এই পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য হলো—অস্ট্রেলিয়ায় মানসম্পন্ন শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী প্রকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা। সরকার চায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা আস্থা রাখুক যে, তারা একটি উচ্চমানের শিক্ষাব্যবস্থায় বিনিয়োগ করছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ ক্যাটাগরি চালু হলেও প্রকৃত শিক্ষার্থীরা এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। বরং কঠোর যাচাই–বাছাইয়ের ফলে ভুয়া আবেদন কমবে এবং সত্যিকারের শিক্ষার্থীরা আরও স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভিসা পাবেন।

সরকারের মতে, এতে অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা খাতের সুনাম অক্ষুণ্ন থাকবে এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আস্থা আরও দৃঢ় হবে।

তবে অস্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের প্রাক্তন উপ-সচিব ড. আবুল রিজভী এই পদক্ষেপকে ‘অত্যন্ত অস্বাভাবিক’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, সাধারণত এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ দেশের ক্যাটাগরি বছরে একবারই হালনাগাদ করা হয়। হঠাৎ করে চারটি দেশকে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ঝুঁকির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা অস্বাভাবিক বলেই মনে হচ্ছে।

তার মতে, এই সিদ্ধান্ত দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার্থী বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে এবং এতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—উভয়ের মধ্যেই অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের ভিসা আবেদনে অতিরিক্ত ডকুমেন্ট, আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ এবং শিক্ষাগত উদ্দেশ্যের স্পষ্টতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

তবে সঠিক প্রস্তুতি ও বৈধ কাগজপত্র থাকলে প্রকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে না বলেও তারা মনে করছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট