আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ভুল সিদ্ধান্তের কারণে যেন আবারও দেশে ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের সুযোগ না তৈরি হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথমবারের মতো জাতীয় সমাবেশ করল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে অনুষ্ঠিত এই মহাসমাবেশে লাখো নেতা-কর্মীর ঢল নামে, যা শুধু দেশের সংবাদমাধ্যমেই নয়, আন্তর্জাতিক সংবাদ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এই দেশ কোনো ফ্যাসিস্ট শাসকের নয়, এই দেশ দানব ও রক্তপিপাসুদের নয়। দেশের ছাত্র ও জনগণ প্রাণ দিয়ে তা প্রমাণ করেছে। শুক্রবার
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে সংঘটিত হামলার ঘটনায় পুরো শহরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় এই সহিংস হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “আমাদের একমাত্র লক্ষ্য এখন—২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।
নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’ না পেলে রাজনৈতিক লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রবিবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির
“দেশ গড়তে জুলাই” কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার (১৩ জুলাই) জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি) পিরোজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য পদযাত্রা ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১১টায় সার্কিট হাউস থেকে শুরু হয়ে
নির্বাচন না হওয়ায় দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে, দুর্নীতি বাড়ছে এবং দুর্বৃত্তরা সুযোগ নিচ্ছে—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “কারণ এই সরকারের পেছনে জনগণের প্রকৃত
সারাদেশে গত ১১ মাসে অন্তত ১১ হাজার হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে দাবি করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, “মিটফোর্ডে ব্যবসায়ীকে নির্মমভাবে হত্যার মতো ঘটনা
ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটির মতে, এটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি স্বরূপ। এ সিদ্ধান্তের