1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

নেছারাবাদে বাল্যবিয়ে টের পেয়ে দাওয়াত না খেয়েই ফিরে গেলেন ইউএনও

মোঃ নাজমুল হোসেন পিরোজপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ১৬ বছরের মেয়ের বিয়ে ইউএনও মো. জাহিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে থেমে যায়। কনের বয়স ১৮ বছরের নিচে জানার পর ইউএনও ও কাজী দুজনেই বিয়ে সম্পন্ন না করেই ফিরে যান।

পিরোজপুরের নেছারাবাদে সচেতনতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদুল ইসলাম। স্বপরিবারে বিয়ের দাওয়াতে উপস্থিত হয়েও কনের বয়স ১৮ বছরের নিচে জানতে পেরে তিনি দাওয়াত না খেয়েই ফিরে যান। ইউএনওর এই পদক্ষেপে বাল্যবিয়েটি শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার দৈহারী গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৬ বছর বয়সী মুন্নি আক্তার নামের এক মেয়ের বিয়ে ঠিক হয় জগন্নাথ কাঠি গ্রামের ২৩ বছর বয়সী যুবক শেখ মো. অনিকের সঙ্গে। মুন্নি গত বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হয়েছিল। এ বছর পরিবারের পক্ষ থেকে তার বিয়ের আয়োজন করা হয়।

বিয়ে পড়াতে যাওয়া কাজী মো. ইসহাক আলী বলেন, “প্রথমে আমাকে জানানো হয় মেয়ের বয়স ১৮ বছর। কিন্তু পরে কনের প্রকৃত বয়স ১৬ বছর জানার পর আমি বিয়ে পড়াইনি। ইউএনও সাহেবও বিষয়টি জানার পর স্বপরিবারে দাওয়াত না খেয়েই চলে যান।”

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আল আমীন জানান, “বিয়ে বাড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল। ইউএনও সাহেব অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কনের বয়স কম শুনেই তিনি চলে যান। পরে কাজী এবং আমি নিজেও খাওয়া দাওয়া না করেই ফিরে এসেছি।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে দাওয়াতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কনের বয়স ১৮ বছরের নিচে জানতে পেরে আইনগত ও নৈতিক দিক বিবেচনায় দাওয়াত না খেয়েই ফিরে এসেছি। পরে জানতে পেরেছি, বিয়েটি আর সম্পন্ন হয়নি।”

স্থানীয়দের মতে, ইউএনওর এই পদক্ষেপ সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। প্রশাসনের এ ধরনের সচেতন উদ্যোগ বাল্যবিয়ে রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন অনেকে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট