
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এক দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এ উপলক্ষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নির্বাহী আদেশে ঘোষিত এই ছুটির দিনে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব এ বি এম আবু বাকার ছিদ্দিক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়।
তবে জরুরি পরিষেবাসমূহ এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে—বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা সেবা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক বিভাগ এবং এসব সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত যানবাহন ও কর্মীরা।
এছাড়া হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীরাও ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন। জরুরি দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত অফিসসমূহ স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখবে।
ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং আদালতের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সুপ্রিম কোর্ট পৃথকভাবে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত এই রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে।
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনসহ বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারাদেশে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার অবদান স্মরণ করছে সর্বস্তরের মানুষ।