বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ২১ বিলিয়ন ডলারের সীমা ছাড়িয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক দৃঢ়তার একটি বড় লক্ষণ। ২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের নিট রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ১৩৬ কোটি ডলার, এবং গ্রস রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৬২০ কোটি ডলার।
গত ডিসেম্বর মাসে রিজার্ভ বেড়েছে ২৬২ কোটি ডলার। বিশেষত রেমিটেন্স ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের কারণে রিজার্ভে এ সংকটপূর্ন সময়েও ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রেমিটেন্স প্রবাহে দৃশ্যমান বৃদ্ধি ঘটেছে। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়ে গড়ে ২২২ কোটি ডলার থেকে ২৬৪ কোটি ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে। এদিকে রপ্তানি আয়ও শক্তিশালী হচ্ছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহকে আরও স্থিতিশীল করছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, গত নভেম্বরে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু) এর দেনা পরিশোধের পর নিট রিজার্ভ কিছুটা কমে গিয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে তা বেড়ে আবারও ২১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এই প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সামগ্রিক উন্নতির দিক নির্দেশ করে।
তবে, জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে আকু ঋণের পরিশোধের কারণে রিজার্ভ কিছুটা কমতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের গতিশীলতা এবং উন্নয়ন ভবিষ্যতে আরও সাফল্য আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
রেমিটেন্স প্রবাহ: ডিসেম্বরে রেকর্ড ২৬৪ কোটি ডলার প্রবাহ।
গ্রস রিজার্ভ: ২ হাজার ৬২০ কোটি ডলার।
নেট রিজার্ভ: ২১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
বৈদেশিক ঋণের স্থিতি: গত পাঁচ মাসে ৩৩০ কোটি ডলার পরিশোধ।
এভাবে, বাংলাদেশ তার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি করে, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সামগ্রিক উন্নতির পথে একধাপ এগিয়ে যাচ্ছে।