1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

নাজিরপুরে জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

মোঃ নাজমুল হোসেন পিরোজপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫
নাজিরপুরে জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় “দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প”-এর আওতায় নিবন্ধিত দরিদ্র জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে বকনা বাছুর বিতরণে মারাত্মক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফজলে রাব্বি এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সরোয়ার হোসেন ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. আল মুক্তাদির রাব্বি। উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সুবিধাভোগী জেলেরা।

প্রকল্প অনুযায়ী, উপজেলার ৭০ জন জেলের মাঝে ৭০ কেজি ওজনের বকনা বাছুর বিতরণ করার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটি বাছুরের ওজন ছিল মাত্র ৪০ থেকে ৪৫ কেজি, এমনকি কিছু বাছুরের অবস্থা ছিল রুগ্ন ও দুর্বল। এতে জেলেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং অনেকেই বাছুর নিতে অস্বীকৃতি জানান।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নাম নিয়েও তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। এক ব্যক্তি কখনো নিজেকে সানরাইজ গ্রুপ, কখনো ফোকাস লিমিটেড, আবার কখনো “মেসার্স শ্যাওলা হাঁস মুরগি খামার এন্ড সাপ্লাই সেন্টার” নামে পরিচয় দেন, যা প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

এ বিষয়ে মৎস্য কর্মকর্তা মো. সরোয়ার হোসেন জানান, প্রকল্প অনুযায়ী প্রতিটি গরুর ওজন ৭০ কেজি হওয়ার কথা, তবে অনিয়ম থাকলে তা ঠিকাদারের দায়। তিনি বলেন, “জেলেদের মন চাইলে গরু নেবেন, না নিলে ফেরত যাবে।”

অপরদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফজলে রাব্বি সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং তাঁদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। বিতরণ চলাকালীন তিনি বলেন, “আপনারা গরু নিলে নেন, না নিলে ফেরত দিন”, এরপর তড়িঘড়ি করে বিতরণ শেষ করেন।

ঘটনার পর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বলেন, “বাছুরের ওজন হওয়ার কথা ছিল ৭০ কেজি, কিন্তু দেখা যাচ্ছে মাত্র ৩০-৪০ কেজি ওজনের দুর্বল বাছুর। জনগণের টাকায় কেনা এই সম্পদের এমন অনিয়ম মেনে নেওয়া যায় না।”

তিনি আরও বলেন, “ইউএনও প্রকল্প বাতিলের কথা বলেন, এটা বোকার স্বর্গ। প্রয়োজনে গরু পরিবর্তন করে যথাযথ ওজন ও মানের গরু এনে দিতে বাধ্য করা হবে।”

এ বিষয়ে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খান বলেন, “আমি ঘটনাটি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। ইউএনওর সঙ্গে কথা বলব।”

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট