1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ৬ লেন প্রকল্পে জমির ন্যায্য মূল্যের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ৬ লেন উন্নীতকরণ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমি ও ভবনের ন্যায্য মূল্য প্রদানের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত মালিকরা। দাবি না মানলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি।

ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ৬ লেন প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমি ও ভবনের ন্যায্য মূল্য প্রদানের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী জমির মালিক ও ব্যবসায়ীরা। শনিবার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলা শহরের মোটর মালিক সমিতির কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও স্থানীয় দৈনিক নবচিত্র পত্রিকার প্রধান সম্পাদক আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ২০২০ সালে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প অনুমোদনের পর ২০২২ সালে জমি ও ভবন অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়। কিন্তু অধিগ্রহণে জমির বাজারমূল্য অস্বাভাবিকভাবে কম ধরা হয়েছে। যেখানে বর্তমানে এক শতক জমির দাম প্রায় ৫ লাখ টাকা, সেখানে মালিকদের দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১৮০০ টাকা।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, অনেক জমি বাণিজ্যিক হলেও তা ‘ডোবা শ্রেণি’ হিসেবে দেখানো হয়েছে। নোটিশ জারি করা হলেও জেলা প্রশাসন মালিকদের ডাকে নি। ফলে ৭ ও ৮ ধারার নোটিশ কার্যকর হলেও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে সড়কের দুই পাশের জমির বাজারমূল্য প্রতি শতক ৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা হলেও অধিকাংশ জমির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ থেকে ৫ হাজার টাকা, যা অর্ধশত বছর আগের মৌজা রেটের সমান।

ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার থেকে ফুলবাড়ি পর্যন্ত ১৯টি মৌজার শত শত জমির মালিক এখন পথে বসার উপক্রম। তারা বলেন, এ জমি তাদের পূর্বপুরুষের সম্পত্তি, যা দিয়ে তারা ব্যবসা-বাণিজ্য ও বসবাস করে আসছেন। তাই অধিগ্রহণকৃত জমির ৮ ধারা প্রত্যাহার করে পুনরায় সার্ভে চালিয়ে ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দাবি না মানা হলে জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে ক্ষতিগ্রস্তরা আইনি পদক্ষেপ, হরতাল, অবরোধসহ কঠোর আন্দোলনের পথে নামবেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট