1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
একক গ্রাহকের ঋণসীমায় বড় ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক সৌদিতে ১৭ মে দেখা যেতে পারে ঈদুল আজহার চাঁদ পিরোজপুরে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে এপেক্স ক্লাবের সংবর্ধনা ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশের জন্য মরণফাঁদ: মির্জা ফখরুল নতুন ভাবনায়, নতুন নেতৃত্বে আপনাদের সেবা করতে চাই – লীনা পারভীন বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিটে জনবল বাড়ানোর দাবি জোরালো ট্রাম্প-শি বৈঠক শেষে বেইজিং ত্যাগ, তাইওয়ান ও ইরান ইস্যুতে আলোচনা সফল আখ্যা ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের ৫ জনের সবাই মারা গেলেন উত্তর প্রদেশে ভয়াবহ ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে নিহত ৯০ গজারিয়ায় প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের শিকার, দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা

একক গ্রাহকের ঋণসীমায় বড় ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
বাংলাদেশ ব্যাংক টাস্কফোর্সের সুপারিশ

একটি ব্যাংক একজন গ্রাহককে সর্বোচ্চ যে পরিমাণ ঋণ দিতে পারে, সেই সীমায় বড় ধরনের শিথিলতা এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে একটি ব্যাংক তার মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত সরাসরি ঋণ দিতে পারবে।

এর আগে কোনো ব্যাংক সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ সরাসরি ঋণ দিতে পারত। এছাড়া এলসি বা গ্যারান্টির মতো নন-ফান্ডেড দায়ের ক্ষেত্রে ১০০ টাকার বিপরীতে আগে ৫০ টাকা ফান্ডেড দায় হিসেবে গণনা করা হতো। এখন তা কমিয়ে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সব ব্যাংকে পাঠিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও ব্যাংক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা এ ধরনের শিথিলতার পক্ষে ছিলেন না।

এ বিষয়ে ভালো অবস্থানে থাকা কয়েকটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে সম্প্রতি বৈঠক করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। বৈঠকে ব্যাংকগুলো আপাতত একক গ্রাহকের ঋণসীমা শিথিল না করার পক্ষে মত দেয়।

একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধিনিষেধ দেখিয়ে বড় ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ রাখা যেত। এখন নতুন শিথিলতার ফলে বড় গ্রাহকরা ব্যাংকের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারেন। এতে ঋণ শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থায়ন সহজ করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, নন-ফান্ডেড ঋণের ক্ষেত্রে রূপান্তর হার ৫০ শতাংশের পরিবর্তে ২৫ শতাংশ ধরা হবে। এই সুবিধা ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

এরপর ধাপে ধাপে রূপান্তর হার বাড়ানো হবে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে এটি হবে ৩০ শতাংশ, ২০২৮ সালে ৪০ শতাংশ এবং ২০২৯ সালে ৫০ শতাংশ। ২০৩০ সালের জানুয়ারি থেকে আগের নিয়ম পুরোপুরি কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী একটি ব্যাংক একজন গ্রাহককে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ ঋণ দিতে পারে। তবে কীভাবে সেই সীমা প্রয়োগ হবে, তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারণ করে।

একক গ্রাহককে ব্যাংকের মোট মূলধনের ১০ শতাংশ বা তার বেশি ঋণ দিলে তা বৃহৎ ঋণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ক্ষেত্রেও নতুন নির্দেশনায় বড় ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশ বা তার কম হলে মোট ঋণের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃহৎ ঋণ দিতে পারবে। আগে এই সুবিধা পেতে খেলাপি ঋণ ৩ শতাংশ বা তার কম হতে হতো।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট