1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

জামালপুরে ধানে ব্লাস্ট রোগ: বিআর-২৮ ও ২৯ জাতের ধান ক্ষতির মুখে

জামালপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৪ মে, ২০২৫
ধানে ব্লাস্ট রোগ

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে বিআর-২৮ ও বিআর-২৯ জাতের ধানে ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। অনেক ক্ষেতেই সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করেও প্রতিকার মিলছে না।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, জমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) বিক্রি করা জমিতেই ব্লাস্ট রোগের প্রকোপ বেশি। এমনকি হীরা-১৯ এবং কিছু হাইব্রিড জাতেও আক্রান্তের নমুনা পাওয়া গেছে।

কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে উপজেলায়, বিআর-২৮ জাতের ধান: ২৫০ হেক্টর, বিআর-২৯ জাত: প্রায় ৫,০০০ হেক্টর, হাইব্রিড জাত: ১১,০০০ হেক্টর, মোট বোরো ধান: ২০,১৭৫ হেক্টর,  রোগের কারণ ও প্রভাব।

ব্লাস্ট রোগ সাধারণত বায়ুবাহিত ছত্রাকের মাধ্যমে ছড়ায়। ধানের শীষের গোড়ায় কালচে ক্ষত তৈরি করে যা খাদ্য পরিবহন ব্যাহত করে ও শীষ চিটা হয়ে যায়। এই রোগ দ্রুত ছড়ায় এবং সময়মতো না বুঝলে প্রতিকারের সুযোগ থাকে না।

ময়মনসিংহ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবুল বাশার জানান, “টপসয়েলহীন জমিতে নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশের ঘাটতির কারণে ব্লাস্ট আক্রমণের ঝুঁকি বেশি। অধিক ইউরিয়া ও কম পটাশ ব্যবহারের ফলেই রোগটি ছড়াচ্ছে।”

দাগি ও নলকুড়ি গ্রামের কৃষকরা জানান, বিআর-২৮ ও ২৯ জাতের ধানের শীষে মোহর নেই। কীটনাশক দিয়েও কাজ হয়নি। এমনকি, আক্রান্ত ধানের খড় গরুকে খাওয়ালে পাতলা পায়খানা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

কৃষক মাসুদুর রহমান ও খলিলুর রহমান বলেন, “খোলাবাজার থেকে কীটনাশক কিনে ছিটালেও কোনো কাজ হয়নি। দুই দিনেই ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেল। কৃষি অফিসে গিয়েও লাভ হবে না মনে হয়।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল বলেন, “আমরা আগেই মাইকিং করে বিআর-২৮ ও ২৯ জাত আবাদ না করার পরামর্শ দিয়েছি। যারা আমাদের পরামর্শ মানেননি, তারাই এখন ক্ষতিগ্রস্ত।”

তিনি আরও জানান, কৃষকদের বিআর-৮৮, ৮৯, ৯২ ও ৯৪ জাত চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যা রোগ প্রতিরোধে সহনশীল এবং ফলনেও ভালো।

কৃষকরা অভিযোগ করছেন, বাজারে ভেজাল কীটনাশকের ছড়াছড়ি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারি সংস্থাগুলোর তদারকি এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

জামালপুরের মেলান্দহে ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বিআর-২৮ ও ২৯ জাতের ধান। কৃষি অফিসের মতে, সচেতনতা ও জাত পরিবর্তনই একমাত্র পথ। তবে কৃষকেরা বলছেন, মাঠে বাস্তব সমাধান প্রয়োজন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট