মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার দশম দিনে এসে ইরানে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছেন শত শত
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলি হামলার পর ইরানের রাজধানী তেহরান-এ দেখা গেছে এক অদ্ভুত প্রাকৃতিক ঘটনা। শনিবার সন্ধ্যায় শহরের জ্বালানি তেলের গুদামে হামলার পর ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় রাজধানীর
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা THAAD (Terminal High Altitude Area Defense)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ রাডার ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। জর্ডানের মুওয়াফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে স্থাপিত
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির সামরিক বাহিনীর ভেতরে ব্যাপক বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ইরানের কয়েকজন
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বার্তা দিয়েছে সৌদি আরব। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব তাদের আকাশপথ, জলসীমা বা ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে ব্যবহার করতে দেবে না
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যেই ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর প্রকাশ করেছে দেশটির কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ত বিমানবন্দর বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা ষষ্ঠ দিনে প্রবেশ করেছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) পর্যন্ত চলা এই অভিযানে ইতোমধ্যেই তেহরানের বহু শীর্ষ কর্মকর্তা ও কমান্ডার নিহত হয়েছেন। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (Islamic Revolutionary Guard Corps) হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পরপরই বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইউরোপীয় গ্যাসবাজারে দামের অস্বাভাবিক উল্লম্ফন নতুন
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ফলপ্রসূতা নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আলি বাহরেইনি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
কসময় বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী করপোরেট শক্তি ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। উপমহাদেশে বাণিজ্য থেকে শাসনক্ষমতা—দুই ক্ষেত্রেই তাদের প্রভাব ছিল বিস্তৃত। প্রায় দেড় শতাব্দী আগে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক এই