1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইরানের ড্রোন কারখানার অবস্থান সম্পর্কে জানে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের রোববার শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন মুন্সীগঞ্জে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কাহারোলে মানববন্ধন: গোপাল চন্দ্র রায় ও সুধা রানীর বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থার দাবি কালীগঞ্জে সড়কে কাদার কারণে একের পর এক দুর্ঘটনা, আহত অন্তত ২৫ মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের অভিযান, উদ্ধার বিপুল পরিমাণ মাদক, আটক দুই মঠবাড়িয়ায় এক রাতেই জোড়া হত্যাকাণ্ড, আতঙ্কে এলাকাবাসী মিরকাদিম পৌরসভায় গৃহস্থালি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উদ্বোধন ধসের ঝুঁকিতে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু, কী করছে নারায়ণগঞ্জ প্রশাসন?

উদ্বোধনের আড়াই বছরেও চালু হয়নি মহেশপুরের ২০ শয্যার হাসপাতাল

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
মহেশপুরে নির্মিত ২০ শয্যার হাসপাতাল বন্ধ অবস্থায় পড়ে আছে

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ভৈরবা এলাকায় নির্মিত ২০ শয্যার হাসপাতালটি উদ্বোধনের আড়াই বছর পেরিয়ে গেলেও আজও চালু হয়নি। ফলে উপজেলার অন্তত পাঁচটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি গ্রামের লাখো মানুষ প্রাথমিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত থাকছেন। এতে করে সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের ভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে।

জানা যায়, ঝিনাইদহ জেলা শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে ভৈরবা সাকোরখাল এলাকায় প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে হাসপাতালটি নির্মাণ করা হয়। ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে হাসপাতালটির উদ্বোধন করা হলেও আজ পর্যন্ত এর কার্যক্রম শুরু হয়নি। সীমান্তবর্তী মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্মিত এই হাসপাতালটি বর্তমানে কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় ভবনটির অবস্থা ক্রমেই খারাপ হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি চুরির ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে সরকারের কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সম্রাট বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম হাসপাতাল চালু হলে আর দূরে চিকিৎসার জন্য যেতে হবে না। কিন্তু এখনো অসুস্থ হলে উপজেলা বা জেলা শহরে যেতে হয়। এতে সময় ও অর্থ—দুটোই নষ্ট হচ্ছে।” একইভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করে খাদিজা বানু নামের এক বৃদ্ধা বলেন, “এত টাকা দিয়ে হাসপাতাল বানাইলো, কিন্তু কোনো ডাক্তার আসলো না। তাহলে এই হাসপাতাল বানিয়ে লাভ কী? আমরা চাই দ্রুত এটি চালু করা হোক।”

এ বিষয়ে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান জানান, হাসপাতালটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের চাহিদাপত্র ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনিক অনুমোদন পেলেই দ্রুত হাসপাতালটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, হাসপাতালটি চালু হলে প্রতি মাসে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা পাবে, যা সীমান্তবর্তী এলাকার চিকিৎসা সংকট অনেকাংশে লাঘব করবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত জনবল নিয়োগ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করা না হলে এই হাসপাতালটি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হবে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট