1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

ঝিনাইদহে টানা বৃষ্টিতে ৭ হাজার ৫০০ হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫
ঝিনাইদহে টানা বৃষ্টিতে ৭ হাজার ৫০০ হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে

ঝিনাইদহ জেলায় কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির ফলে জেলার ছয়টি উপজেলার হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে জেলার কৃষকেরা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সদর, কোটচাঁদপুর, মহেশপুর, কালীগঞ্জ, হরিণাকুন্ডু ও শৈলকূপা উপজেলায় সবজি ক্ষেত, ধানের বীজতলা এবং সদ্য রোপণ করা আমন ধানের চারা সম্পূর্ণভাবে ডুবে গেছে।

বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের মতো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় অনেক এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে একদিকে যেমন জমির চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দিন দিন বাড়ছে। অনেক কৃষক নতুন করে ধান রোপণ করতে না পারায় হতাশায় ভুগছেন।

সদর উপজেলার লাউদিয়া গ্রামের কৃষক মাহবুবুর রহমান বলেন, “আমার দুই বিঘা জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে। পানি কবে নামবে জানি না। পানি নামলেও নতুন করে চারা লাগাতে হবে, কিন্তু এখন চারা কোথায় পাব?”

কোটচাঁদপুরের কৃষক আশাদুল ইসলাম জানান, “টানা বৃষ্টিতে আমার এক বিঘা জমির ধানের চারা নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন করে রোপণ করলেও ক্ষতির ঘাটতি মেটাতে সময় লাগবে।”

মহেশপুর উপজেলার কৃষক রমজান আলী বলেন, “আমারসহ অনেক কৃষকের জমি এখনো ডুবে আছে। এই বছর আমন ধান ঘরে তোলা যাবে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।”

জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ষষ্ঠি চন্দ্র রায় জানান, “কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের সহায়তায় বাঁধ অপসারণসহ পানি নিষ্কাশনের কাজ চলছে। কিছু এলাকায় ইতিমধ্যে সমস্যার সমাধান হয়েছে, বাকিগুলোতেও দ্রুত কাজ চলছে।”

কৃষি বিভাগের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ঝিনাইদহ জেলার ছয়টি উপজেলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার ৫০০ হেক্টর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে আমন ধানের জমি ও সবজি ক্ষেত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলার কৃষকরা দ্রুত পানি নিষ্কাশন ও সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন, যাতে তারা আবারও চাষাবাদ শুরু করে ক্ষতি কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠতে পারেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট