1. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  2. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  3. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইসির ওয়েবসাইটে ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁস, স্বীকার করল নির্বাচন কমিশন লৌহজংয়ে যৌথ বাহিনীর অভিযানে পিস্তল-গুলি ও বিপুল মাদকসহ দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী আটক দিনাজপুর-১ আসনে নির্বাচিত হলে গর্ভবতী মায়েদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেব: মতিউর রহমান হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত, ডিগ্রি পেল শতাধিক শিক্ষার্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজের নির্বাচনী গণসংযোগ ও সমাবেশ, মুখরিত কোলা বাজার খুলনা-৪ আসনে অবহেলা-বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে শান্তি ও উন্নয়নের অঙ্গীকার আজিজুল বারী হেলালের কাহারোল উপজেলায় ৩৫৮০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিশাল শোডাউন, নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থান স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন হরিণাকুণ্ডুতে মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ নারী গ্রেফতার, পলাতক স্বামী আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়বে রাতের তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদফতর

ঈদ সামনে রেখে রেমিট্যান্সে রেকর্ড প্রবাহ, সংকট কাটাচ্ছে ডলারের

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ জুন, ২০২৫
ঈদে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি, ডলার সংকট কাটছে: ১১ মাসে ২৮ বিলিয়ন ডলার

ঈদুল আজহা সামনে রেখে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহে আবারও চাঙ্গা হয়েছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার। চলতি জুন মাসের প্রথম ৩ দিনেই দেশে এসেছে ৬০ কোটি ৪০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ প্রবাসী আয়, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ হাজার ৪২৯ কোটি টাকা (ডলারপ্রতি ১২৩ টাকা ধরে)। ব্যাংকাররা বলছেন, এই রেমিট্যান্স প্রবাহে ডলারের সংকট অনেকটাই কেটে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত (১১ মাসে) প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ২৮.১১ বিলিয়ন ডলারে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ২১.৬৫ বিলিয়ন ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬.৪৬ বিলিয়ন ডলার।

গত মে মাসেই প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২৯৭ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩১.৭ শতাংশ বেশি। মার্চ মাসে রোজার ঈদ উপলক্ষে এসেছিল ৩২৯ কোটি ডলার, যদিও এপ্রিলে কিছুটা কমে তা দাঁড়িয়েছিল ২৭৫ কোটি ডলারে।

প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক এই প্রবাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬.০৬ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর মানদণ্ড অনুযায়ী (BPM6), বর্তমান রিজার্ভ ২০.৭৬ বিলিয়ন ডলার।

ব্যাংক কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই প্রবৃদ্ধি দেশের ডলার সংকট কাটাতে এবং মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হচ্ছে। একই সঙ্গে ডলারের দামের ওপর চাপও কমছে। এখন ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা দরে রেমিট্যান্স কিনছে, যদিও খোলাবাজারে ডলারের দাম ১২৫ টাকা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রবাসী আয় হলো দেশের একমাত্র দায়বিহীন বৈদেশিক মুদ্রা উৎস। কারণ, এর বিপরীতে কোনো পণ্য আমদানি করতে হয় না, বা বিদেশি ঋণ পরিশোধের দায় থাকে না। অন্যদিকে রপ্তানি আয়ের বিপরীতে আমদানি ব্যয় থাকায় ডলার খরচ হয়।

সরকারি প্রণোদনা, হুন্ডি বা অবৈধ পথে অর্থ পাঠানোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং ধর্মীয় উৎসবগুলোকে কেন্দ্র করে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা—সব মিলিয়ে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঈদুল আজহার মতো বড় উৎসব সামনে রেখে প্রবাসীরা বেশি অর্থ পাঠিয়ে থাকেন, যাতে পরিবারের সদস্যরা দেশে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করতে পারেন। ব্যাংকারদের আশা, জুন মাসজুড়ে প্রবাসী আয়ের এই প্রবাহ আরও বাড়বে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট