1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফতুল্লায় পুলিশের ওপর হামলা: আটক ৩ জনকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ‘পুশইন’ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবিকে কড়া নজরদারির নির্দেশ পিরোজপুরে দুদকের দুর্নীতি প্রতিরোধ কর্মশালা: সচেতনতা বাড়াতে জোরালো আহ্বান কলকাতায় বিজেপির বিজয় মিছিলে বুলডোজার দিয়ে দোকান ভাঙল কর্মীরা সুন্দরবনে আবার জলদস্যুতা: দুই দিনে ২২ জেলে অপহরণ, উপকূলে আতঙ্ক হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক নৌযানে হামলার অভিযোগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৩৮টি অডিট রিপোর্ট হস্তান্তর পিরোজপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড লৌহজংয়ে মসজিদের বিদ্যুৎ চুরি ঠেকাতে গিয়ে হামলা, কুপিয়ে আহত ৭ পিরোজপুরে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও মানবাধিকার সুরক্ষায় আলোচনা সভা

হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী অরবান দাবি: ইউরোপ ২০৩০ সালের মধ্যে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে

আরটি বিডিনিউজ অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে সম্পূর্ণরূপে যুদ্ধের সক্ষমতা অর্জন করবে।

হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে সম্পূর্ণরূপে যুদ্ধের সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনা করছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) একটি যুদ্ধবিরোধী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, “ইউরোপ ইতোমধ্যেই সরাসরি সামরিক সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।”

অরবান চার ধাপের একটি প্রক্রিয়ার কথা তুলে ধরেছেন, যা সাধারণত যুদ্ধের দিকে অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। এই ধাপগুলো হলো: কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা, নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বন্ধ করা এবং অবশেষে সশস্ত্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়া। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই পদক্ষেপগুলোর বেশিরভাগ ইতোমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক অবস্থান রয়েছে যে, ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।” অরবান যোগ করেছেন, ইউরোপীয় দেশগুলো যুদ্ধ অর্থনীতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে, কিন্তু হাঙ্গেরির লক্ষ্য হলো ইউরোপকে যুদ্ধ থেকে বিরত রাখা।

প্রসঙ্গত, ইউক্রেন সংঘাতের বিষয়ে ইইউ’র অবস্থানের তীব্র সমালোচনাও করেছেন অরবান। হাঙ্গেরি ধারাবাহিকভাবে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি কিয়েভকে সামরিক সহায়তার বিরোধিতা করেছে এবং উত্তেজনা বৃদ্ধির পরিবর্তে শান্তি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে।

ইইউ ক্রমবর্ধমানভাবে রাশিয়ান হুমকির কথা উল্লেখ করে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি করছে। যদিও রাশিয়া বারবার বলেছে, তারা ইইউ বা ন্যাটোর সঙ্গে যুদ্ধের কোনো পরিকল্পনা করছে না। তবে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করলে, তারা জবাব দেবে মস্কো।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট