1. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  2. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  3. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইসির ওয়েবসাইটে ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁস, স্বীকার করল নির্বাচন কমিশন লৌহজংয়ে যৌথ বাহিনীর অভিযানে পিস্তল-গুলি ও বিপুল মাদকসহ দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী আটক দিনাজপুর-১ আসনে নির্বাচিত হলে গর্ভবতী মায়েদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেব: মতিউর রহমান হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত, ডিগ্রি পেল শতাধিক শিক্ষার্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজের নির্বাচনী গণসংযোগ ও সমাবেশ, মুখরিত কোলা বাজার খুলনা-৪ আসনে অবহেলা-বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে শান্তি ও উন্নয়নের অঙ্গীকার আজিজুল বারী হেলালের কাহারোল উপজেলায় ৩৫৮০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিশাল শোডাউন, নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থান স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন হরিণাকুণ্ডুতে মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ নারী গ্রেফতার, পলাতক স্বামী আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়বে রাতের তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদফতর

ইন্দুরকানী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার অনুপস্থিতির সুযোগে চলছে ইলিশ শিকার

মোঃ নাজমুল হোসেন পিরোজপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫
মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য সরকারের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে কচাঁ ও বলেশ্বর নদীতে প্রকাশ্যে চলছে ইলিশ শিকার। স্থানীয়রা বলছেন, পর্যাপ্ত সহায়তা না পাওয়ায় অনেক জেলে বাধ্য হয়ে নদীতে নামছেন।

পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলায় সরকারের দেওয়া ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকলেও কচাঁ ও বলেশ্বর নদীতে প্রকাশ্যে চলছে ইলিশ শিকার। মা ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে জারি করা এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর না থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার তিন দিক ঘিরে থাকা কচাঁ ও বলেশ্বর নদীতে বহু জেলে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে ইলিশ ধরতে ব্যস্ত। শুধু নিবন্ধিত জেলেরা নয়, অনিবন্ধিত অনেক ব্যক্তিও নদীতে নেমেছেন মা ইলিশ শিকারে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বছর নিষেধাজ্ঞার সময় সরকার জেলেদের জন্য খাদ্য সহায়তা দিলেও অনেকেই সেই সহায়তা পান না। যাঁরা পান, তাও প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। ফলে পরিবার-পরিজনের খরচ চালাতে জেলেরা বাধ্য হয়ে নদীতে নামছেন।

গত বুধবার রাতে উপজেলার চন্ডিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি ইলিশ ধরার জাল, দুটি কারেন্ট জাল এবং ছয়টি চর গরা জাল জব্দ করা হয়। তবে, জব্দ করা জাল তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস না করে ট্রলারের মাঝির জিম্মায় রাখার পর দেখা যায়, চারটি জাল গায়েব হয়ে গেছে। পরে শুক্রবার সকালে বাকি জালগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়।

এলাকাবাসীর দাবি, রাতের অন্ধকারে জেলেরা নদীতে ইলিশ শিকার করে গোপনে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করছেন। অভিযানের সময় নদীতে মৎস্য বিভাগের কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি বলে জানান তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইন্দুরকানী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহাদ রহমান বলেন, “আমি দুই দিন ধরে ঢাকায় আছি। এলাকায় ফিরে বিস্তারিত বলতে পারব।”

উল্লেখ্য, সরকার ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে সারাদেশে ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুদ ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে। এ সময়ে মৎস্য অধিদপ্তর দেশের সব কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করে কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ দিলেও ইন্দুরকানীতে সেই নির্দেশনা মানা হয়নি।

স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি না থাকায় মা ইলিশ ধরা বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে আগামী মৌসুমে ইলিশ উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট