1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, লালন পালন করতে চান মা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর মুদ্রানীতি অব্যাহত থাকবে: অর্থমন্ত্রী কালীগঞ্জে জমি বিরোধে হামলা: গৃহবধূ গুরুতর আহত, আতঙ্কে পরিবার দিঘলিয়ায় ভয়াবহ লোডশেডিং: এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ জনজীবন বিপর্যস্ত দুই মাস পর আকাশপথ খুললো ইরান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলছে: ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধিতেও রপ্তানিতে উৎপাদন কমেনি: শিল্পমন্ত্রী পিরোজপুরে অস্বাস্থ্যকর আইসক্রিম কারখানায় অভিযান, ১ লাখ টাকা জরিমানা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় উগ্রবাদী নাশকতার আশঙ্কা: দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর মুদ্রানীতি অব্যাহত থাকবে: অর্থমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য
দ্রব্যমূল্য বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, সাময়িক স্বস্তির জন্য অতিরিক্ত মুদ্রা সরবরাহের নীতি থেকে সরে এসে এখন স্থিতিশীল ও টেকসই অর্থনীতি গড়ার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে সরকার।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) অর্থ মন্ত্রণালয় আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সদস্য ও অর্থনীতি বিষয়ক সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে মুদ্রা সরবরাহ সীমিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। অতীতে টাকা ছাপিয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার ফলে অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে, যার প্রভাবে সুদের হার বেড়েছে এবং বেসরকারি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “হাই পাওয়ার মানি বাড়িয়ে বাজারে অতিরিক্ত তারল্য তৈরি করা হবে না। এতে মূল্যস্ফীতি বাড়ে এবং অর্থনীতির ভারসাম্য নষ্ট হয়।” তাই দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর মুদ্রানীতি অনুসরণ করছে।

অর্থনীতির কাঠামোগত সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অতীতে পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক রাজনীতির কারণে দেশের অর্থনীতি কিছু মানুষের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ে। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি’ বা অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে অর্থনৈতিক সুবিধা সমাজের সব স্তরে পৌঁছায়।

নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে নারীদের হাতে সরাসরি অর্থ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পরিবারের ব্যয় ব্যবস্থাপনায় নারীরা দক্ষ হওয়ায় এতে সাশ্রয় ও বিনিয়োগ—উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য খাত নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা গেলে মানুষের ‘আউট অব পকেট’ খরচ কমবে এবং জীবনমান উন্নত হবে। ফলে কার্যত মানুষের আয়ও বাড়বে।

অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এই খাত। পাশাপাশি গ্রামীণ কুটিরশিল্প, কারিগর এবং সৃজনশীল অর্থনীতিকে মূলধারায় আনতে সরকার কাজ করছে।

বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলার অভাব, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে বেসরকারি খাত চাপে রয়েছে। অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে পারছে না। বিনিয়োগ বাড়াতে ডিরেগুলেশন বা নিয়ম শিথিল করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় জ্বালানি উৎস অনুসন্ধান এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট