1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গরু কোরবানি ইস্যুতে বিতর্কিত মন্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের উদাহরণ দিলেন জাফর পাশা ঝিনাইদহে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৪ হাজার ৬২৫ দুস্থ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে ফায়জুল কবির তালুকদারের জানাজা সম্পন্ন দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা রুখতে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিশু ধর্ষণ, বলৎকার ও যৌন সহিংসতা: মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ ঝিনাইদহে নাসির উদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, প্রতিবাদে থানা ঘেরাও পুকুরে গোসল করতে নেমে মুন্সীগঞ্জে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু কাউখালীতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের পাঠচক্র অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ, আহত অন্তত ৮ সিরাজদিখানে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে টেঁটা যুদ্ধ, আহত অন্তত ৮

গরু কোরবানি ইস্যুতে বিতর্কিত মন্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের উদাহরণ দিলেন জাফর পাশা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
গরু কোরবানি ইস্যুতে বক্তব্য দিচ্ছেন ইসলামিক স্কলার মাওলানা মোহাম্মদ জাফর পাশা

ভারতে পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে গরু ও মহিষ কোরবানি নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মাওলানা মোহাম্মদ জাফর পাশা। পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের উদাহরণ টেনে তিনি দাবি করেছেন, উগ্রবাদীদের জবাব দিতে মুসলিমদের কৌশলগতভাবে এক বছরের জন্য গরু ও মহিষ কোরবানি থেকে বিরত থাকা উচিত।

সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যে জাফর পাশা বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা বর্তমানে সংঘাত এড়িয়ে বিকল্প পথে হাঁটছেন। তার মতে, যদি মুসলিমরা এক বছরের জন্য গরু ও মহিষ কেনা বন্ধ রাখেন, তাহলে যারা এসব প্রাণীর কোরবানির বিরোধিতা করছে তারা বড় ধরনের বার্তা পাবে। তিনি বলেন, “মুসলিমদের উচিত কৌশলগতভাবে তাদের শিক্ষা দেওয়া।”

হায়দ্রাবাদ-এর এই ইসলামিক স্কলার অভিযোগ করেন, কোরবানির জন্য গরু ও মহিষ কিনতে গিয়ে অনেক মুসলিম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন এলাকায় গোরক্ষক গোষ্ঠী মুসলিমদের কোরবানির পশু ছিনিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটাচ্ছে।

জাফর পাশা আরও বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যদি কঠোর অবস্থান নেন, তাহলে কেউ মুসলিমদের কাছ থেকে কোরবানির পশু ছিনিয়ে নেওয়ার সাহস পাবে না। একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, একদিকে মুসলিমদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, অন্যদিকে গোরক্ষকদের বাড়াবাড়ি করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি রাজ্যজুড়ে বসানো বিভিন্ন চেকপয়েন্ট দ্রুত প্রত্যাহারেরও দাবি জানান। তার মতে, এসব চেকপয়েন্টের কারণে সাধারণ মুসলিম ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ-এ ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকার অনুমতি ছাড়া গরু ও মহিষ জবাইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা, ঈদুল আজহার আগে মুসলিমদের গরু কোরবানি সীমিত করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের অনেক মুসলিম সংঘাত এড়িয়ে বিকল্প কোরবানির পথে ঝুঁকছেন। গরু ও মহিষের পরিবর্তে তারা ছাগলসহ অন্যান্য হালাল পশু কোরবানি দিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে স্থানীয় পশু ব্যবসার ওপরও। বিশেষ করে যেসব খামারি ও ব্যবসায়ী ঈদের সময় মুসলিমদের কাছে গরু বিক্রির ওপর নির্ভরশীল ছিলেন, তাদের অনেকেই এখন আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, এসব ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের বড় অংশই হিন্দু ধর্মাবলম্বী বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় অনুভূতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের সংঘাতে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে কোরবানি ইস্যু এখন একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে পরিণত হয়েছে। আর এ ধরনের বক্তব্য ও সিদ্ধান্ত সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি করছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট