
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত ও দক্ষ পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই বাসের সব যাত্রী নিরাপদে নেমে যেতে সক্ষম হওয়ায় এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
সোমবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যুক্ত করুন) রাত ১১টার পর ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের কুচিয়ামোড়া সেতুর ওপর মাওয়াগামী এভার গ্রিন পরিবহনের একটি বাসে হঠাৎ আগুন লাগে। বাসটি রাজধানীর গুলিস্তান থেকে মাওয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছিল। আগুন দেখতে পেয়ে চালক দ্রুত বাসটি থামিয়ে দেন। এতে যাত্রীরা দ্রুত বাস থেকে নেমে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে সক্ষম হন।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, সিরাজদিখান ফায়ার স্টেশনের সেন্ট্রি পোস্টে রাত ১১টার কিছু পরে আগুন লাগার খবর আসে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সিরাজদিখান ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্বল্প সময়ের মধ্যেই আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এনে নির্বাপণ করেন। তাদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের ফলে আগুন বাসের বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি এবং কোনো প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেনি। এতে একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
প্রাথমিক তদন্তে ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণেই বাসটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে আরও জানা গেছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় সড়কে দীর্ঘ সময় যানজটেরও সৃষ্টি হয়নি।
স্থানীয়দের মতে, দ্রুত সময়ে ফায়ার সার্ভিসের ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলন্ত যানবাহনে বৈদ্যুতিক ত্রুটি রোধে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।