1. arifmolla2007@gmail.com : Arif Mollah : Arif Mollah
  2. hmonir19799@gmail.com : Hossain Monir : Hossain Monir
  3. rtbdnews@gmail.com : RT BD NEWS : RT BD NEWS
  4. info@www.rtbdnews.com : RT BD NEWS :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুতে স্বস্তির ঈদযাত্রা, মাওয়া প্রান্তে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের চাপ পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনা: ঈদে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ঈদের ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দাপ্তরিক কাজ অব্যাহত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ ২০২৬: সূচি ঘোষণা, বিশ্বকাপের পথে বড় পরীক্ষা টাইগারদের কীভাবে বেঁচে গেলেন মোজতবা খামেনি—টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, ২৫টি উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য ইসরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি: গোপনে অর্থায়ন করেছিল জার্মানি হরিণাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, শাড়ি ও লুঙ্গি পেলেন শতাধিক পরিবার কাহারোল থেকে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

ভাণ্ডারিয়ায় মাদ্রাসায় পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় শিশু উদ্ধার

মোঃ নাজমুল হোসেন পিরোজপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় মাদ্রাসায় পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় এক শিশু শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে প্রশাসন। ইউএনও রেহেনা আক্তার জানান, ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিস্তারিত পড়ুন।

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের দারুল উলুম হাফিজিয়া কওমি মাদ্রাসা থেকে পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় এক শিশু শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম ওসমান মল্লিক (৬)।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ঘটনাটি নিশ্চিত করেন ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার। এর আগে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতায় শিশুটিকে ওই মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাজেরা শাখার আবাসিক ছাত্র ওসমান দুই দফা মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাড়ি যাওয়ায় শিক্ষকরা ‘শাস্তি’ হিসেবে তার পায়ে তালাবদ্ধ শিকল বেঁধে রাখেন। ওই অবস্থায়ই চলছিল তার পাঠদান। এতে শিশুটির পায়ে মারাত্মক ব্যথা ও জখমের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে অমানবিক আচরণের সত্যতা পান। পরে বিষয়টি ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি ধাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠান। প্রশাসনের উপস্থিতিতে শিশুটির পায়ের শিকল খুলে দিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়।

ভুক্তভোগী ওসমান মল্লিক ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া গ্রামের কালাম মল্লিকের ছেলে। সে দারুল উলুম হাফিজিয়া কওমি মাদ্রাসার নাজেরা শাখায় আবাসিক ছাত্র হিসেবে পড়াশোনা করছে।

ঘটনাটি এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা নির্দোষ শিশুর ওপর এমন নিষ্ঠুর আচরণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার বলেন, “অমানবিক এই ঘটনাটি আমার নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে আমি শিশুটিকে উদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করি। কেন এমন আচরণ করা হয়েছে তা তদন্ত করা হচ্ছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 𝑹𝑻 𝑩𝑫 𝑵𝑬𝑾𝑺 আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট